৩/৮. অধ্যায়ঃ
উম্মুল কুরআন
নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ: রাকআতের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُولُ مَنْ صَلَّى رَكْعَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَلَمْ يُصَلِّ إِلَّا وَرَاءَ الْإِمَامِ.
আবূ নুয়ায়ম ওহ্ব ইবনু কায়সাম (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি এমন এক রাক’আত নামায আদায় করেছে যাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি, অবশ্য যদি সে ব্যক্তি ইমামের পশ্চাতে (নামায পড়িয়া) থাকে (তবে তার নামায শুদ্ধ হয়েছে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এমন এক রাকআত নামাজ আদায় করল, যেখানে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি, তার নামাজ হয়নি। তবে তিনি একটি বিষয় আলাদা করে বলেছেন—যদি সে ব্যক্তি ইমামের পেছনে নামাজ পড়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ভিন্ন। এই হাদিসের মূল কথা হলো, নামাজে উম্মুল কুরআন বা সূরা ফাতিহার গুরুত্ব খুব বেশি। তবে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার প্রসঙ্গ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই এখানে দুই অবস্থাকে এক করে দেখা ঠিক নয়। একা নামাজ পড়া, আর ইমামের পেছনে নামাজ পড়া—এই দুই অবস্থায় কিরাআতের আলোচনা আলাদা হতে পারে। হাদিসটি আমাদের নামাজে ফাতিহা পাঠের বিষয়ে সচেতন করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজের রাকআতে সূরা ফাতিহা পাঠের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।
- ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার বিষয়টি হাদিসে আলাদা করে উল্লেখ আছে।
- নামাজের কিরাআত নিয়ে অসতর্ক হওয়া উচিত নয়।
- হাদিসের কথা বুঝতে হলে তার শর্তগুলোও খেয়াল করতে হয়।
