৫৬/১২. অধ্যায়ঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি
রাসুলুল্লাহর সম্পদ ভাগ হবে না: সাদাকাহ হওয়ার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮১০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮১০
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَقْتَسِمُ وَرَثَتِي دَنَانِيرَ مَا تَرَكْتُ بَعْدَ نَفَقَةِ نِسَائِي وَمَئُونَةِ عَامِلِي فَهُوَ صَدَقَةٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে আমার ওয়ারিসগণ আমার সম্পত্তি ভাগ করবে না। আমি যা কিছু রেখে যাব, উহা হতে আমার বিবিগণের খাওয়া-পরা ও কর্মচারীর খরচ বাদ দিয়ে যা অবশিষ্ট থাকবে, উহা সাদাকাহ্। (বুখারী ২৭৭৬, মুসলিম ১৭৬০)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাঁর পরে তাঁর ওয়ারিসগণ তাঁর সম্পত্তি ভাগ করবে না। তিনি যা রেখে যাবেন, তা থেকে তাঁর বিবিগণের খাওয়া-পরা এবং কর্মচারীর খরচ বাদ দেওয়া হবে। এরপর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা সাদাকাহ হবে। এই বর্ণনায় নবীজির সম্পদের বিশেষ বিধান পরিষ্কার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, তাঁর পরিবারের প্রয়োজনীয় খরচের কথা বলা হয়েছে, আবার অবশিষ্ট সম্পদকে ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার নয়, সাদাকাহ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রেখে যাওয়া সম্পদের বিষয়টি সাধারণ উত্তরাধিকার বিধানের মতো নয়। তাই এ ধরনের বিষয়ে আবেগ নয়, হাদিসের স্পষ্ট ভাষা অনুসরণ করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্পদ ওয়ারিসদের মধ্যে ভাগ হয়নি।
- তাঁর বিবিগণের খাওয়া-পরা ও কর্মচারীর খরচের কথা হাদিসে এসেছে।
- অবশিষ্ট সম্পদ সাদাকাহ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- বিশেষ বিধান বুঝতে হাদিসের ভাষা ঠিকভাবে মানতে হয়।
