৫৬/৭. অধ্যায়ঃ
সত্য ও মিথ্যা কথা বলা প্রসঙ্গে
মিথ্যা বলার ক্ষতি ও অন্তর কালো হওয়ার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮০০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮০০
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَقُولُ لَا يَزَالُ الْعَبْدُ يَكْذِبُ وَتُنْكَتُ فِي قَلْبِهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ حَتَّى يَسْوَدَّ قَلْبُهُ كُلُّهُ فَيُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ مِنْ الْكَاذِبِينَ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, মানুষ মিথ্যা কথা বলে। তার অন্তরে একটা কাল দাগ পড়ে শেষ পর্যন্ত তার গোটা অন্তরই কাল হয়ে যায়। অবশেষে আল্লাহ্র নিকট তার নাম মিথ্যাবাদীদের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮০০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) মিথ্যার ভয়াবহ প্রভাব বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, মানুষ মিথ্যা বলতে থাকে, ফলে তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় গোটা অন্তর কালো হয়ে যায়। শেষে আল্লাহর কাছে তার নাম মিথ্যাবাদীদের তালিকায় লেখা হয়। এখানে মিথ্যাকে শুধু মুখের ভুল হিসেবে দেখানো হয়নি; বরং এটি অন্তরের ওপর প্রভাব ফেলে—এই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। বারবার মিথ্যা বললে তা অভ্যাসে পরিণত হয় এবং চরিত্র নষ্ট করে। তাই সত্য কথা বলা, ভুল হলে তাওবা করা এবং মিথ্যার ছোট রূপ থেকেও দূরে থাকা দরকার। এই বর্ণনা মিথ্যা বলার ক্ষতি খুব গভীরভাবে মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বারবার মিথ্যা বলা অন্তরের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
- মিথ্যা অভ্যাসে পরিণত হলে চরিত্র নষ্ট হয়।
- ছোট মিথ্যাকে হালকা মনে করা নিরাপদ নয়।
- সত্যে ফিরে আসা ও তাওবা করা মুমিনের জন্য জরুরি।
