১/৩. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি নামাযের এক রাকআত পায়
উম্মুল কুরআনের গুরুত্ব: রুকু পাওয়া ও কিরাআতের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ مَنْ أَدْرَكَ الرَّكْعَةَ فَقَدْ أَدْرَكَ السَّجْدَةَ وَمَنْ فَاتَهُ قِرَاءَةُ أُمِّ الْقُرْآنِ فَقَدْ فَاتَهُ خَيْرٌ كَثِيرٌ ََََ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
মালিক (র) বলেন, তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলতেন, যে রুকূ পেয়েছে সে সিজদাও পেয়েছে। আর যাঁহার উম্মুল-কুরআন ফাউত হয়েছে (সূরা ফাতিহা চলে গেছে) তাঁর অনেক সওয়াব ফাউত হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মালিক (র)-এর কাছে পৌঁছেছে যে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলতেন, যে রুকু পেয়েছে সে সিজদাও পেয়েছে। এরপর তিনি বলেন, যার উম্মুল-কুরআন ফাউত হয়েছে, তার অনেক সওয়াব বা কল্যাণ ফাউত হয়েছে। উম্মুল-কুরআন বলতে সূরা ফাতিহা বোঝানো হয়। এই হাদিসে দুটি বিষয় এসেছে: রুকু পাওয়া এবং কিরাআতের গুরুত্ব। তবে বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বড় আলোচনা না করে মূল কথা বোঝা উচিত। নামাজে রুকু পাওয়া রাকাতের সাথে জড়িত, আর সূরা ফাতিহা নামাজের কিরাআতের বড় অংশ। তাই সালাতে তাড়াহুড়া না করে কিরাআত ও রুকুর দিকে মনোযোগ রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকু পাওয়া সিজদা পাওয়ার সাথে যুক্ত বলে বর্ণনায় এসেছে।
- উম্মুল-কুরআন ফাউত হলে অনেক কল্যাণ ফাউত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- নামাজে কিরাআতের গুরুত্বকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- সালাতে তাড়াহুড়ার বদলে মনোযোগ দরকার।
