৩/৭. অধ্যায়ঃ
ফজরের কিরা’আত
ফজরের নামাজে সূরা বাকারা: আবূ বকর রাঃ-এর কিরাআত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ صَلَّى الصُّبْحَ فَقَرَأَ فِيهَا سُورَةَ الْبَقَرَةِ فِي الرَّكْعَتَيْنِ كِلْتَيْهِمَا.
হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (র) হতে বর্ণিতঃ
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়লেন, তিনি ফজরের উভয় রাকা’আতে সূরা বাকারা পাঠ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ বকর সিদ্দীক রাঃ-এর ফজরের কিরাআত বর্ণিত হয়েছে। তিনি ফজরের নামাজে দুই রাকআতেই সূরা বাকারা পাঠ করেছিলেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ফজরের নামাজে দীর্ঘ কিরাআতের একটি উদাহরণ এতে পাওয়া যায়। তবে এখানে শুধু একটি ঘটনার কথা বলা হয়েছে। তাই এটিকে সবার জন্য প্রতিদিনের নিয়ম হিসেবে বলা ঠিক নয়। বরং বলা যায়, সাহাবিদের নামাজে কুরআন পাঠের প্রতি গভীর মনোযোগ ছিল, আর কখনো দীর্ঘ সূরাও পড়া হয়েছে। যারা ফজরের নামাজে কোন সূরা পড়া হয়েছে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি সরাসরি বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবূ বকর রাঃ ফজরের দুই রাকআতে সূরা বাকারা পড়েছিলেন।
- ফজরের নামাজে দীর্ঘ কিরাআতের একটি উদাহরণ এখানে আছে।
- সাহাবিদের কুরআন তিলাওয়াত নামাজের বড় অংশ ছিল।
- একটি নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর ভিত্তি করে সাধারণ বাধ্য নিয়ম বানানো উচিত নয়।
