৫৪/১৭. অধ্যায়ঃ
দাসদাসী ও তাদের দান করা প্রসঙ্গ
দাসীর সাজসজ্জা বিষয়ে উমার রাঃ-এর অবস্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৭৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৭৯
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَمَةً كَانَتْ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَآهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَقَدْ تَهَيَّأَتْ بِهَيْئَةِ الْحَرَائِرِ فَدَخَلَ عَلَى ابْنَتِهِ حَفْصَةَ فَقَالَ أَلَمْ أَرَ جَارِيَةَ أَخِيكِ تَجُوسُ النَّاسَ وَقَدْ تَهَيَّأَتْ بِهَيْئَةِ الْحَرَائِرِ وَأَنْكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ)-এর একজন দাসী ছিল। সে নিজে আযাদ মহিলাদের মতো সেজেছিল। উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) তাকে আযাদ মহিলার মতো সাজতে দেখে তাঁর কন্যা (উম্মুল মু‘মিনীন) হাফসা (রাঃ)-এর নিকট যেয়ে বললেন, আমি তোমার ভ্রাতার দাসীকে দেখলাম যে, সে আযাদ মহিলাদের মতো সাজসজ্জা করে লোকজনের মধ্যে চলাফেরা করছে। উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) একে খারাপ মনে করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ ইব্নু উমার রাঃ-এর একজন দাসী নিজেকে আযাদ মহিলাদের মতো সাজিয়েছিল। উমার ইব্নু খাত্তাব রাঃ তাকে সে অবস্থায় লোকজনের মধ্যে চলাফেরা করতে দেখে বিষয়টি পছন্দ করেননি। তিনি তাঁর কন্যা হাফসা রাঃ-এর কাছে গিয়ে বিষয়টি উল্লেখ করেন। এই বর্ণনা সরাসরি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী নয়; বরং উমার রাঃ-এর অবস্থান হিসেবে এসেছে। তাই ব্যাখ্যার সময় সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসের মূল বিষয় হলো সে সময় দাসী ও আযাদ নারীর সাজসজ্জার পার্থক্য নিয়ে উমার রাঃ-এর আপত্তি। এর বাইরে নতুন বিধান বা সাধারণ মন্তব্য যোগ করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় দাসী ও আযাদ নারীর সাজসজ্জার পার্থক্য নিয়ে কথা এসেছে।
- উমার রাঃ বিষয়টিকে অপছন্দ করেছেন বলে বর্ণনায় আছে।
- যা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সরাসরি বাণী নয়, তা সে সীমায় বুঝতে হয়।
- হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত সামাজিক দাবি যোগ করা ঠিক নয়।
