৫৪/৫. অধ্যায়ঃ

কুকুর (পালন) প্রসঙ্গ

শিকার বা খামার ছাড়া কুকুর পালনে দুই কীরাত আমল কমে

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৪৮

و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اقْتَنَى كَلْبًا إِلَّا كَلْبًا ضَارِيًا أَوْ كَلْبَ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি শিকার অথবা খেত-খামারের হিফাজতের উদ্দেশ্য ব্যতীত কুকুর (অনর্থক) পালন করে তবে তার নেক আমল হতে প্রতিদিন দুই কীরাত সমান ক্ষতি হবে (কমে যাবে)। (বুখারী ৫৪৮১, মুসলিম ১৫৭৪)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৪৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি শিকার অথবা খেত-খামারের হিফাজতের উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর পালন করে, তার নেক আমল থেকে প্রতিদিন দুই কীরাত সমান কমে যাবে। এখানে কুকুর পালনের অনুমোদিত প্রয়োজন স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: শিকার এবং খেত-খামারের নিরাপত্তা। অন্য বর্ণনাগুলোতে পশুর হিফাজতের কথাও এসেছে। এই হাদিসের মূল বার্তা হলো, শুধু শখ বা অপ্রয়োজনীয় কারণে কুকুর পালন করা মুমিনের আমলের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে হাদিসে যে প্রয়োজনগুলোর কথা এসেছে, সেগুলোকে আলাদা রাখা জরুরি। তাই কুকুর পালন বিষয়ে কথা বলার সময় অতিরিক্ত আবেগ নয়, বরং হাদিসের ভাষা অনুযায়ী ভারসাম্য রাখা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শিকার ও খামারের প্রয়োজনকে হাদিসে আলাদা করা হয়েছে।
  • অপ্রয়োজনীয় কুকুর পালন আমলের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
  • প্রতিদিন দুই কীরাত আমল কমার সতর্কতা এসেছে।
  • হালাল প্রয়োজন ও শখের কাজ একভাবে দেখা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন