৫০/২. অধ্যায়ঃ
বদ নজরের জন্য ঝাড়ফুঁক করা প্রসঙ্গে
শিশুর বদনজর হলে রুকইয়া: রাসূল صلى الله عليه وسلم কী নির্দেশ দিলেন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬৮৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৮৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ بَيْتَ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفِي الْبَيْتِ صَبِيٌّ يَبْكِي فَذَكَرُوا لَهُ أَنَّ بِهِ الْعَيْنَ قَالَ عُرْوَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا تَسْتَرْقُونَ لَهُ مِنْ الْعَيْنِ
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) হতে বর্ণিতঃ
নবী-পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর ঘরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন। তখন ঘরে একটি বাচ্চা ক্রন্দন করিতেছিল। লোকেরা আরয করল, বাচ্চাটির উপর বদনজর লেগেছে। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বদনজরের জন্য ঝাড়ফুঁক করাচ্ছো না কেন ? (বুখারী ৫৭৪৯, মুসলিম ২১৯৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালমা (রা)-এর ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে একটি শিশু কাঁদছিল। লোকেরা জানায়, শিশুটির উপর বদনজর লেগেছে। তখন রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেন, বদনজরের জন্য তার রুকইয়া করাচ্ছো না কেন? এখানে শিক্ষা খুব সরল: বদনজর সন্দেহ হলে বৈধ রুকইয়া করা যায়। শিশুর কান্না বা অসুস্থতার কারণ সব সময় একই হয় না, কিন্তু এই ঘটনায় লোকেরা বদনজরের কথা বলেছিল এবং রাসূল صلى الله عليه وسلم রুকইয়ার কথা বলেছেন। তাই এই হাদিস বদনজর, শিশু, ঝাড়ফুঁক এবং শরীয়তসম্মত চিকিৎসা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মুমিনের উচিত ভয়ের কারণে কুসংস্কারে না যাওয়া, আবার বৈধ দোয়া ও রুকইয়াকে অবহেলা না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিশুর বদনজরের ক্ষেত্রে বৈধ রুকইয়া করা যায়।
- সমস্যা হলে কুসংস্কারের বদলে শরীয়তসম্মত উপায় গ্রহণ করা উচিত।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم বদনজরের জন্য রুকইয়ার অনুমতি দিয়েছেন।
- শিশুর অসুস্থতা বা কান্নায় যত্ন, দোয়া ও সঠিক ব্যবস্থা দরকার।
