৪৯/১২. অধ্যায়ঃ
আংটি পরিধান প্রসঙ্গে
আংটি পরার বিধান: সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাবের ফাতাওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬৮৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৮৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ صَدَقَةَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ لُبْسِ الْخَاتَمِ فَقَالَ الْبَسْهُ وَأَخْبِرْ النَّاسَ أَنِّي أَفْتَيْتُكَ بِذَلِكَ
সাদাকা ইবনু ইয়াসার (র) হতে বর্ণিতঃ
আমি সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রা)-এর কাছে আংটি পরিধান করার বৈধতা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, পরিধান কর এবং লোকজনকে জানিয়ে দাও যে, আমি তোমাকে আংটি পরিধান করার পক্ষে ফাতাওয়া দিয়েছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় একজন ব্যক্তি সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-এর কাছে আংটি পরার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চান। তিনি সরলভাবে বলেন, তুমি আংটি পরো এবং মানুষকে জানিয়ে দাও যে, আমি তোমাকে এর পক্ষে ফাতাওয়া দিয়েছি। এখানে স্বর্ণের আংটির কথা বলা হয়নি; সাধারণভাবে আংটি পরার বৈধতার কথা এসেছে। তাই এই হাদিসকে আগের স্বর্ণের আংটির বর্ণনার সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, কোনো বিষয়ে সন্দেহ হলে জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা এবং সঠিক উত্তর পেলে দ্বিধা না রাখা। একই সঙ্গে ফাতাওয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে আলিমের আত্মবিশ্বাসও এখানে দেখা যায়। ইসলামে সাজসজ্জা পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়; বরং বৈধ সীমা ও সঠিক রূপ জানা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ধর্মীয় বিষয়ে সন্দেহ হলে জ্ঞানী আলিমের কাছে জিজ্ঞেস করা উচিত।
- সাধারণ আংটি পরার বৈধতা এই বর্ণনায় বোঝা যায়।
- স্বর্ণের আংটি ও সাধারণ আংটির বিষয় এক করে দেখা ঠিক নয়।
- সঠিক ফাতাওয়া জানলে অযথা দ্বিধায় থাকা দরকার নেই।
