৩/৪. অধ্যায়ঃ
নামাযের আরম্ভ
নামাজের তাকবীর শেখানো: জাবির রাঃ-এর নির্দেশনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُ كَانَ يُعَلِّمُهُمْ التَّكْبِيرَ فِي الصَّلَاةِ قَالَ فَكَانَ يَأْمُرُنَا أَنْ نُكَبِّرَ كُلَّمَا خَفَضْنَا وَرَفَعْنَا.
আবূ নুঈম ওয়াহব ইবনু কায়সার (র) হতে বর্ণিতঃ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁদেরকে নামাযের ‘তাকবীর’ শিক্ষা দিতেন। তিনি আরও বর্ণনা করেন, নিচের দিকে ঝুঁকাবার ও মাথা উপরে তুলবার সময় ‘তাকবীর’ বলার জন্য তিনি [জাবির (রাঃ)] আমাদেরকে নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাঃ-এর শিক্ষাদানের একটি দিক এসেছে। তিনি লোকদের নামাজের তাকবীর শিক্ষা দিতেন। তিনি নির্দেশ দিতেন, যখন আমরা নামাজে নিচের দিকে ঝুঁকি এবং যখন মাথা উপরে তুলি, তখন তাকবীর বলব। এতে বোঝা যায়, নামাজের তাকবীর শুধু ব্যক্তিগত আমল নয়; এটি শেখার ও শেখানোর বিষয়ও। নামাজে তাকবীর বলার নিয়ম জানতে চাইলে এই হাদিস খুব সহজ ভাষায় মূল বিষয়টি জানিয়ে দেয়। এখানে কোনো বাড়তি আলোচনা নেই, শুধু নামাজের ভঙ্গির সঙ্গে তাকবীর বলার নির্দেশ এসেছে। তাই হাদিসটি নামাজের বাস্তব শিক্ষার জন্য উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাবির রাঃ নামাজের তাকবীর মানুষকে শেখাতেন।
- নামাজে নিচু হওয়া ও উঠার সময় তাকবীর বলার নির্দেশ এসেছে।
- নামাজের নিয়ম শেখা ও শেখানো সাহাবিদের আমলে ছিল।
- নামাজের ছোট আমলগুলোও মনোযোগ দিয়ে শেখা দরকার।
