১/৩. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি নামাযের এক রাকআত পায়
রুকু পাওয়া ও রাকাত গণনা: ইবনু উমার (রাঃ)-এর কথা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ كَانَ يَقُولُ، إِذَا فَاتَتْكَ الرَّكْعَةُ فَقَدْ فَاتَتْكَ السَّجْدَةُ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যদি তোমার রুকূ ফাউত হয়ে গেল (পাওয়া গেল না) তবে তোমার সিজদাও ফাউত হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, যদি তোমার রুকু ফাউত হয়ে যায়, তবে তোমার সিজদাও ফাউত হয়ে গেল। কথাটি নামাজে রাকাত পাওয়া বা না পাওয়ার সাথে যুক্ত। এখানে বোঝানো হয়েছে, কোনো রাকাত ধরার ক্ষেত্রে রুকু একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদি কেউ সেই রাকাতের রুকু না পায়, তাহলে শুধু পরে সিজদায় যোগ দিলে সেই রাকাত পাওয়া হিসেবে ধরা যায় না—এই অর্থ বর্ণনা থেকে বোঝা যায়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত কথা যোগ করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, জামাতে নামাজে যোগ দিলে রুকু পাওয়া বা না পাওয়া বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাকাত ধরার ক্ষেত্রে রুকু গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- রুকু না পেলে সেই রাকাতের সিজদা পাওয়া হলো না—এ কথা বলা হয়েছে।
- জামাতে যোগ দেওয়ার সময় রাকাতের অবস্থা খেয়াল করা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত সাহাবি বাণী থেকে সালাতের ব্যবহারিক শিক্ষা পাওয়া যায়।
