৩/৩. অধ্যায়ঃ
আযানের পর সাহরী খাওয়া
বিলালের আযান ও সাহরির সময় বোঝার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ بِلَالًا يُنَادِي بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُنَادِيَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিলাল রাত অবশিষ্ট থাকতে আযান দেয়। অতএব ইবনু উম্মি-মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার। (বুখারী ৬২০, মুসলিম ১০৯২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফজরের আগে আযান এবং পানাহারের সময় নিয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা এসেছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিলাল রাত অবশিষ্ট থাকতে আযান দেয়। তাই ইবনু উম্মি মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার। এই বর্ণনায় দুই আযানের পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। বিলালের আযান রাতের শেষ অংশে ছিল, আর ইবনু উম্মি মাকতুমের আযান ছিল ফজরের সময়ের সাথে যুক্ত। যারা রোজার সাহরি নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যাখ্যা হাদিসের কথার ভেতরেই সীমিত রাখা দরকার: এখানে নির্দিষ্টভাবে ইবনু উম্মি মাকতুমের আযান পর্যন্ত পানাহারের কথা বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের আগে বিলালের আযান রাতের শেষ অংশে হতো।
- ইবনু উম্মি মাকতুমের আযান পর্যন্ত পানাহারের অনুমতি উল্লেখ হয়েছে।
- সাহরির সময় বুঝতে ফজরের আযানের পার্থক্য জানা দরকার।
- আযানের সময় নামাজ ও রোজার সময়সূচির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
