৪২/১. অধ্যায়ঃ
মদ্য পানের শাস্তি
মাদক পানীয়ের বিধান: মাতাল না হলেও হদ্দ কেন আসে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫৪৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫৪৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ مَا مِنْ شَيْءٍ إِلَّا اللهُ يُحِبُّ أَنْ يُعْفَى عَنْهُ مَا لَمْ يَكُنْ حَدًّاقَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك وَالسُّنَّةُ عِنْدَنَا أَنَّ كُلَّ مَنْ شَرِبَ شَرَابًا مُسْكِرًا فَسَكِرَ أَوْ لَمْ يَسْكَرْ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْحَدُّ
ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব বলতেন, হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তি ব্যতীত এমন কোন গুনাহ নেই যা আল্লাহ্ ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে, যে মদের মধ্যে মাদকতা রয়েছে, তা পানকারী মাতাল হোক বা না হোক তার জন্য শাস্তি আবশ্যক।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তির বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা এসেছে। সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব বলতেন, হদ্দ ছাড়া এমন গুনাহ নেই যা আল্লাহ ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন না। এরপর মালিক (র) বলেন, তাদের মতে যে ব্যক্তি মাদকতা আছে এমন পানীয় পান করে, সে মাতাল হোক বা না হোক তার উপর হদ্দ আবশ্যক। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মদ্যপানের বিধানে শুধু মাতাল হওয়া নয়, মাদক পানীয় গ্রহণ করাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ পানীয়ের প্রভাব মাদকতাময় হলে সেটি শরাবের হুকুমে পড়ে। এই হাদিস মদ্যপানের শাস্তি, মাদক পানীয়ের বিধান এবং হদ্দ সম্পর্কে সতর্ক ধারণা দেয়। তবে এতে যে বক্তব্য এসেছে, তা সরাসরি হাদিসের পাঠ ও মালিক (র)-এর বক্তব্যের সীমায় বোঝা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাদক পানীয় পান করা নিজেই গুরুতর অপরাধ হিসেবে এসেছে।
- মাতাল হওয়া না হওয়া নয়, পানীয়ের মাদকতা এখানে মূল বিষয়।
- হদ্দের বিষয়ে নির্ধারিত বিধানকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
- ক্ষমা ও শাস্তির বিষয় আলাদা করে বুঝার শিক্ষা পাওয়া যায়।
