৪২/১. অধ্যায়ঃ

মদ্য পানের শাস্তি

মদ্যপানের শাস্তি কেন আশি বেত্রাঘাত নির্ধারিত হলো

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫৪২

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ اسْتَشَارَ فِي الْخَمْرِ يَشْرَبُهَا الرَّجُلُ فَقَالَ لَهُ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ نَرَى أَنْ تَجْلِدَهُ ثَمَانِينَ فَإِنَّهُ إِذَا شَرِبَ سَكِرَ وَإِذَا سَكِرَ هَذَى وَإِذَا هَذَى افْتَرَى أَوْ كَمَا قَالَ فَجَلَدَ عُمَرُ فِي الْخَمْرِ ثَمَانِينَ

সাওর ইবনু যাইদ (র) হতে বর্ণিতঃ

উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তির ব্যাপারে সাহাবীদের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন। আলী (রা) বললেন, আমার মতে তাকে আশিটি বেত্রাঘাত লাগান যেতে পারে। কেননা মানুষ মদ্য পান করে মাতাল হবে আর মাতাল হলে অকথ্য কথা বলবে। অতঃপর উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তি আশি বেত্রাঘাত নির্ধারিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৪২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে মদ্যপানের শাস্তি নির্ধারণের একটি পরামর্শভিত্তিক ঘটনা এসেছে। উমার (রা) সাহাবীদের কাছে মদ্যপানের শাস্তি সম্পর্কে মতামত চান। আলী (রা) বলেন, মদ পান করলে মানুষ মাতাল হয়, মাতাল হলে সে অসংলগ্ন কথা বলে, আর এমন অবস্থায় মিথ্যা অপবাদ বা খারাপ কথা বলার আশঙ্কা থাকে। তাই তিনি আশি বেত্রাঘাতের মত দেন। এরপর উমার (রা) মদ্যপানের শাস্তি আশি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মদ শুধু ব্যক্তির শরীর নয়, কথা, আচরণ ও সামাজিক নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই ইসলামে মদ্যপানের শাস্তি একটি গুরুতর বিষয়। এখানে শাস্তির আলোচনার পাশাপাশি পরামর্শ, বিচারবোধ এবং সমাজ রক্ষার দিকও স্পষ্ট হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
  • মদ্যপান মানুষের কথা ও আচরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
  • শাস্তির উদ্দেশ্য সমাজকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করা।
  • সাহাবীগণ বিধান নির্ধারণে চিন্তা ও যুক্তি ব্যবহার করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন