৪১/৭. অধ্যায়ঃ
কোন্ প্রকারের বস্তু চুরি করলে হাত কাটা ওয়াজিব হয়
এক-চতুর্থাংশ দীনার: চুরির শাস্তির ন্যূনতম মূল্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫২৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫২৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْمَا طَالَ عَلَيَّ وَمَا نَسِيتُ الْقَطْعُ فِي رُبُعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) হতে বর্ণিতঃ
এখনও এত বেশি দিন হয়নি, আমিও ভুলিনি। চোরের হাত এক-চতুর্থাংশ দীনার বা তদূর্ধ্বের জন্য কাটা যাবে। [১] (মারফু, বুখারী ৬৭৮৯, মুসলিম ১৬৮৪)
[১] এই রেওয়ায়তটি আয়েশা (রা) হতে মারফূ বর্ণিত আছে। ঐ সময় এক দীনারের মূল্য বার দিরহাম হত আর এক দীনারের এক-চতুর্থাংশ তিন দিরহাম হবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) চুরির শাস্তির মূল্যসীমা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, বিষয়টি খুব বেশি পুরোনো হয়নি এবং তিনি ভুলেননি—চোরের হাত এক-চতুর্থাংশ দীনার বা তার বেশি মূল্যের চুরির জন্য কাটা যাবে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও চুরির শাস্তির আলোচনায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে “এক-চতুর্থাংশ দীনার” একটি মূল শব্দ। এটি বোঝায়, শাস্তি প্রয়োগের আগে চুরি করা মালের মূল্য দেখা জরুরি। যে কোনো ছোটখাটো জিনিস নেওয়ার জন্য একই দণ্ড নয়; বরং নির্দিষ্ট সীমা আছে। হাদিসটি সম্পদের অধিকার রক্ষা, বিচারিক মাপদণ্ড এবং শাস্তির সীমা বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চুরির শাস্তিতে এক-চতুর্থাংশ দীনারের সীমা উল্লেখিত।
- শাস্তির আগে চুরি করা মালের মূল্য বিবেচিত হয়।
- আয়িশা (রা) বিষয়টি দৃঢ়ভাবে স্মরণ করেছিলেন।
- অন্যের মাল নেওয়া বিচারিকভাবে গুরুতর অপরাধ হতে পারে।
