৪০/৪. অধ্যায়ঃ
মুদাব্বার করার পর স্বীয় ক্রীতদাসীর সহিত সঙ্গম করা প্রসঙ্গে
মুদাব্বারা দাসী: বিক্রি, দান ও সন্তানের বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫০৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫০৩
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَانَ يَقُولُ إِذَا دَبَّرَ الرَّجُلُ جَارِيَتَهُ فَإِنَّ لَهُ أَنْ يَطَأَهَا وَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَبِيعَهَا وَلَا يَهَبَهَا وَوَلَدُهَا بِمَنْزِلَتِهَا
সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) হতে বর্ণিতঃ
কোন ব্যক্তি নিজ ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করলে তার জন্য এর সাথে সঙ্গম করা জায়েয আছে। কিন্তু উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না এবং হেবাও (দান) করতে পারবে না; আর মুদাব্বারার সন্তান মুদাব্বারার মতো হবে (উহার বিক্রয় এবং দান জায়েয হবে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫০৩-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: মুদাব্বারা। এই বর্ণনায় সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (র) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি নিজের ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করলে তার জন্য তার সঙ্গে সঙ্গম করা জায়েয। কিন্তু তাকে বিক্রি করা যাবে না এবং দানও করা যাবে না। আরও বলা হয়েছে, মুদাব্বারার সন্তান তার মতোই হবে। অর্থাৎ সন্তানের ক্ষেত্রেও বিক্রি ও দানের একই সীমা থাকবে। এই হাদিস মুদাব্বারা দাসীর বিধান বুঝতে খুব সরাসরি একটি পাঠ দেয়। এখানে মূল শব্দগুলো হলো মুদাব্বারা দাসী, বিক্রয় নিষেধ, দান নিষেধ এবং সন্তানের বিধান। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়টি পরিষ্কার: মুদাব্বারা করার পর দাসীর মর্যাদায় একটি বিশেষ বিধান যুক্ত হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুদাব্বারা দাসীকে বিক্রি করা যাবে না।
- মুদাব্বারা দাসীকে হেবা বা দান করাও বৈধ নয়।
- মুদাব্বারার সন্তান তার মতো বিধানের অধীন হবে।
- মালিকানা থাকলেও মুদাব্বারা করার পর কিছু কাজ সীমিত হয়ে যায়।
