৩/১. অধ্যায়ঃ
নামাযের প্রতি আহ্বান
উচ্চ স্বরে আযান দেওয়া ও কিয়ামতের সাক্ষ্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ الْأَنْصَارِيِّ ثُمَّ الْمَازِنِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا سَعِيْدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ لَهُ إِنِّي أَرَاكَ تُحِبُّ الْغَنَمَ وَالْبَادِيَةَ فَإِذَا كُنْتَ فِي غَنَمِكَ أَوْ بَادِيَتِكَ فَأَذَّنْتَ بِالصَّلَاةِ فَارْفَعْ صَوْتَكَ بِالنِّدَاءِ فَإِنَّهُ لَا يَسْمَعُ مَدَى صَوْتِ الْمُؤَذِّنِ جِنٌّ وَلَا إِنْسٌ وَلَا شَيْءٌ إِلَّا شَهِدَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ أَبُو سَعِيْدٍ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
আবদুর রহমান ইবনু আবি ‘সা’সা’আ’ আনসারী মাযনী (র) হতে বর্ণিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমি দেখতেছি তুমি মাঠ ও বকরীকে ভালবাস। তুমি যখন তোমার বকরীর সঙ্গে থাক অথবা মাঠে থাক এবং নামাযের জন্য আযান দাও তবে তার স্বরে আযান দিও। কারণ আযানের স্বর মানুষ, জিন এবং অন্য যে কেউ শুনতে পায়, সে মুয়াযযিনের জন্য কিয়ামত দিবসে সাক্ষ্য দেবে।আবূ সাঈদ (রা) বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ শুনেছি। (বুখারী ৬০৯, এবং ৩২৯৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মাঠে বা নির্জন স্থানে আযান দেওয়ার ফজিলত এসেছে। আবূ সাঈদ খুদরী রাঃ একজনকে বললেন, তুমি মাঠ ও বকরী ভালোবাসো। তুমি যখন বকরীর সাথে বা মাঠে থাকবে এবং নামাজের জন্য আযান দেবে, তখন উচ্চ স্বরে আযান দিও। কারণ মুয়াযযিনের আযানের আওয়াজ যত দূর পৌঁছায়, মানুষ, জিন বা অন্য যে কেউ তা শুনলে কিয়ামতের দিন তার জন্য সাক্ষ্য দেবে। আবূ সাঈদ রাঃ বলেন, তিনি এই কথা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন। এই হাদিসে আযানকে সাহসের সাথে ঘোষণা করার শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাঠে বা নির্জনে থাকলেও নামাজের জন্য আযান দেওয়া মূল্যবান কাজ।
- আযান দেওয়ার সময় স্বর উঁচু করার শিক্ষা এসেছে।
- আযানের শব্দ যারা শুনবে, তারা কিয়ামতের দিন সাক্ষ্য দেবে।
- মুয়াযযিনের কাজ সম্মানিত ও দায়িত্বপূর্ণ।
