৩৮/৯. অধ্যায়ঃ
দাস-দাসী আযাদ করার ফযীলত এবং নিষিদ্ধ যৌন সঙ্গমকারিণী ও জারজ সন্তানকে আযাদ করা
জারজ সন্তান ও তার মা আযাদ: ইব্নু উমার (রা)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৭৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৭৪
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ أَعْتَقَ وَلَدَ زِنًا وَأُمَّهُ.
নাফি‘ (র) আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
তিনি জারজ সন্তান ও তার মাতাকে আযাদ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা) জারজ সন্তান এবং তার মাকে আযাদ করেছেন। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু আগের কয়েকটি বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়—জন্মপরিচয়ের কারণে আযাদীর কাজকে বাতিল বলা হয়নি। এখানে কোনো দীর্ঘ ফিকহি ব্যাখ্যা নেই, কোনো অতিরিক্ত শর্তও বলা হয়নি। শুধু একটি আমল বর্ণনা করা হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, আযাদী একটি কল্যাণকর কাজ, এবং জারজ সন্তান দাস ও তার মাকেও আযাদ করা হয়েছে। ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই বর্ণনার বাইরে সামাজিক বা আইনগত বড় দাবি না করা ভালো। হাদিস যতটুকু বলেছে, ততটুকুই ধরে সহজভাবে বোঝা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইব্নু উমার (রা) জারজ সন্তান ও তার মাকে আযাদ করেছেন।
- জন্মপরিচয়কে আযাদীর বাধা হিসেবে এখানে দেখানো হয়নি।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও একটি বাস্তব আমল জানায়।
- আযাদীর কাজে মানবিক দিক ও সরাসরি আমল দুটোই দেখা যায়।
