২/৩২. অধ্যায়ঃ
মিসওয়াকের আহকাম
প্রতিটি ওযুর সাথে মিসওয়াকের গুরুত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ، لَوْلَا أَنْ يَشُقَّ عَلَى أُمَّتِهِ لَأَمَرَهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করতেন, তবে তাদেরকে বাধ্যতামুলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি মারফু তবে উল্লেখিত সনদে নয় বরং অন্য সনদে)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে প্রতিটি ওযুর সাথে মিসওয়াকের নির্দেশ দিতেন। এখানে মিসওয়াকের গুরুত্ব আরও নির্দিষ্টভাবে ওযুর সাথে যুক্ত হয়েছে। ওযু যেমন বাহ্যিক পবিত্রতার প্রস্তুতি, তেমনি মিসওয়াক মুখের পরিচ্ছন্নতার একটি সুন্দর উপায়। তবে হাদিসের ভাষায় একটি ভারসাম্যও আছে—নবীজি উম্মতের কষ্টের কথা বিবেচনা করেছেন। তাই এই হাদিস থেকে মিসওয়াকের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা যায়, কিন্তু কাউকে অযথা কঠিনতায় ফেলা যায় না। নিয়মিত ওযুর সময় মিসওয়াক করার অভ্যাস পবিত্রতার অনুভূতি বাড়াতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওযুর সাথে মিসওয়াক করা একটি পছন্দনীয় পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস।
- নবীজি উম্মতের কষ্টের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছেন।
- মুখের পবিত্রতা ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে।
- দীনের কাজে সহজতা ও ধারাবাহিকতা দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।
