৩৬/৩৬. অধ্যায়ঃ
মৃত্যু পর্যন্ত দানের ফয়সালা
আজীবন বসবাসের দান: গৃহ, মালিকানা ও ফিরে পাওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৪০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৪০
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ وَرِثَ مِنْ حَفْصَةَ بِنْتِ عُمَرَ دَارَهَا قَالَ وَكَانَتْ حَفْصَةُ قَدْ أَسْكَنَتْ بِنْتَ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ مَا عَاشَتْ فَلَمَّا تُوُفِّيَتْ بِنْتُ زَيْدٍ قَبَضَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْمَسْكَنَ وَرَأَى أَنَّهُ لَهُ.
নাফি‘ (র) হতে বর্ণিতঃ
ইব্নু উমার (রা) হাফসা বিনত উমারের একটি গৃহের ওয়ারিস হলেন। তিনি ঐ গৃহ যায়দ ইব্নু খাত্তাবের কন্যাকে আজীবন থাকার জন্য দিয়েছিলেন। অতঃপর যখন যায়দের কন্যার মৃত্যু হল তখন ইব্নু উমার (রা) উহা দখল করলেন এবং তিনি উহাকে নিজস্ব মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইব্নু উমার (রা) হাফসা বিনত উমার (রা)-এর একটি গৃহের ওয়ারিস হন। হাফসা (রা) সেই গৃহ যায়দ ইব্নু খাত্তাবের কন্যাকে আজীবন থাকার জন্য দিয়েছিলেন। যখন যায়দের কন্যা মারা যান, তখন ইব্নু উমার (রা) গৃহটি দখলে নেন এবং সেটিকে নিজের মনে করতেন। এখানে আজীবন বসবাসের অনুমতি ও স্থায়ী মালিকানার মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়। বর্ণনায় বলা হয়েছে, গৃহটি বসবাসের জন্য দেওয়া হয়েছিল, পুরোপুরি মালিকানা হিসেবে নয়। তাই গ্রহীতার মৃত্যু হলে ওয়ারিস ইব্নু উমার (রা) তা গ্রহণ করেন। এই ঘটনা দান, বাসস্থানের অধিকার এবং শর্তযুক্ত ব্যবহারের বিষয়ে সহজ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজীবন বসবাসের অনুমতি স্থায়ী মালিকানা নাও হতে পারে।
- দান বা ব্যবহারের শর্ত স্পষ্ট হওয়া দরকার।
- গ্রহীতার মৃত্যু হলে শর্ত অনুযায়ী সম্পদ ফিরে আসতে পারে।
- বাসস্থান দেওয়ার ক্ষেত্রেও মালিকানা ও ব্যবহার আলাদা বিষয়।
