২/৩২. অধ্যায়ঃ
মিসওয়াকের আহকাম
মিসওয়াকের গুরুত্ব ও উম্মতের প্রতি নবীজির দয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আমার উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করিতাম, তবে তাহাদিগকে বাধ্যতামূলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিসওয়াকের গুরুত্ব খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি তাঁর উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তাহলে তিনি তাদেরকে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মিসওয়াক অত্যন্ত মূল্যবান ও পছন্দনীয় আমল। একই সঙ্গে নবীজির দয়া ও সহজতার মনোভাবও বোঝা যায়। তিনি এমন কিছু বাধ্যতামূলক করেননি যা মানুষের জন্য কষ্টকর হতে পারে। তাই মিসওয়াকের ফজিলত বুঝে আমরা নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে পারি। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী এটিকে কষ্টের কারণ বানানো নয়; বরং পরিচ্ছন্নতার সুন্দর অভ্যাস হিসেবে নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিসওয়াক মুখের পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বপূর্ণ আমল।
- নবীজি উম্মতের কষ্টের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন।
- দীনের শিক্ষা সহজতা ও দয়ার সাথে যুক্ত।
- ভালো আমলকে ভালোবাসা উচিত, তবে তা নিয়ে অযথা কষ্ট তৈরি করা ঠিক নয়।
