১/২. অধ্যায়ঃ
জুম’আর সময়
জুমআর নামাজ ও আসর: উসমান (রাঃ)-এর সফরের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عَنْ ابْنِ أَبِي سَلِيطٍ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ صَلَّى الْجُمُعَةَ بِالْمَدِينَةِ وَصَلَّى الْعَصْرَ بِمَلَلٍ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ لِلتَّهْجِيرِ وَسُرْعَةِ السَّيْرِ.
ইবনু আবী সালিত (র) হতে বর্ণিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) জুম’আর সালাত মদীনায় আদায় করেছেন, আর আসরের সালাত ‘মলালা’ [১] নামক জায়গায়। মালিক (র) বলেন, ইহা তানজীর (সূর্য পশ্চিমে ঢলার পরপরই জুম’আ আদায় করা) ও দ্রুতগতিতে পথ অতিক্রমের জন্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] মদীনা এবং মলালা-এর মধ্যকার দূরত্ব বলা হয়েছে। মতান্তরে ২২, ১৮, ১৭ মাইল।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) মদীনায় জুমআর সালাত আদায় করেছেন এবং আসরের সালাত মলালা নামক স্থানে আদায় করেছেন। মালিক (র) বলেন, এটি তানজীর, অর্থাৎ সূর্য পশ্চিমে ঢলার পরপরই জুমআ আদায় করা এবং দ্রুত পথ অতিক্রমের কারণে হয়েছে। এই হাদিসে জুমআর নামাজের সময়, দ্রুত আদায় এবং এরপর সফরের বিষয় একসাথে এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, জুমআ এমন সময়ে আদায় করা হয়েছে যে পরে পথ চলার সুযোগ ছিল এবং আসর অন্য স্থানে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। তবে এই বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত বিধান টানা ঠিক নয়; এটি একটি নির্দিষ্ট আমলের খবর।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উসমান (রাঃ) মদীনায় জুমআ এবং মলালায় আসর আদায় করেছেন।
- জুমআ সূর্য ঢলার পরপর আদায়ের দিকটি উল্লেখ করা হয়েছে।
- দ্রুত পথ চলার কারণে আসর অন্য স্থানে আদায় করা সম্ভব হয়েছে।
- বর্ণনাটি নির্দিষ্ট ঘটনার খবর, তাই সীমার মধ্যে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
