২/২৯. অধ্যায়ঃ

মুস্তাহাযা

মুস্তাহাযা নারীর এক গোসল: এরপর প্রতি ফরয নামাজে ওযূ

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৮

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْتَحَاضَةِ إِلَّا أَنْ تَغْتَسِلَ غُسْلًا وَاحِدًا ثُمَّ تَتَوَضَّأُ بَعْدَ ذَلِكَ لِكُلِّ صَلَاةٍ ২قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ إِذَا صَلَّتْ أَنَّ لِزَوْجِهَا أَنْ يُصِيبَهَا وَكَذَلِكَ النُّفَسَاءُ إِذَا بَلَغَتْ أَقْصَى مَا يُمْسِكُ النِّسَاءَ الدَّمُ فَإِنْ رَأَتْ الدَّمَ بَعْدَ ذَلِكَ فَإِنَّهُ يُصِيبُهَا زَوْجُهَا وَإِنَّمَا هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ عَلَى حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ وَهُوَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَيَّ فِي ذَلِكَ.

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (র) হতে বর্ণিতঃ

তাঁর পিতা বলেছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নয়, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযূ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল মুস্তাহাযা নামায আদায়ের পর তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় তাকে নিফাস বলে।) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হতে) যতদিন বাধা দিয়ে রাখে তার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখতে পায় তবে তখন তার স্বামী তাঁর সাথে মিলিত হতে পারবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত।মালিক (র) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করেছি। এই বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হিশাম ইবনু উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, মুস্তাহাযা নারীর ওপর একবার গোসল ছাড়া অন্য কিছু ওয়াজিব নয়; এরপর সে প্রত্যেক ফরয নামাজের জন্য ওযূ করবে। এরপর ইমাম মালিক (র)-এর সিদ্ধান্তও উল্লেখ হয়েছে। তিনি বলেন, মুস্তাহাযা নারী নামাজ আদায় করার পর তার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারে। নিফাসওয়ালীর ক্ষেত্রেও, রক্ত নারীদের আটকে রাখার শেষ সীমায় পৌঁছানোর পর যদি রক্ত থাকে, তাহলে তাকে মুস্তাহাযার মতো গণ্য করা হয়েছে। এই বর্ণনায় “মুস্তাহাযা নারীর ওযূ”, “একবার গোসল”, “ইস্তিহাযার বিধান” এবং “নিফাসের শেষ সীমা” বিষয়গুলো এসেছে। ব্যাখ্যায় মনে রাখতে হবে, এই কথাগুলো ইমাম মালিক (র)-এর বর্ণিত সিদ্ধান্তের ভেতরেই সীমাবদ্ধ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুস্তাহাযা নারীর জন্য একবার গোসল ও প্রতি ফরয নামাজে ওযূর কথা এসেছে।
  • নামাজ আদায়ের পর দাম্পত্য সম্পর্কের বিষয়ে ইমাম মালিক (র)-এর সিদ্ধান্ত উল্লেখ হয়েছে।
  • নিফাসের শেষ সীমা পার হলে তাকে মুস্তাহাযার মতো গণ্য করার কথা এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন