২/২৮. অধ্যায়ঃ
ঋতু সম্পর্কীয় বিবিধ হুকুম
গর্ভবতী নারী রক্ত দেখলে কী করবে: নামাজ থেকে বিরতির শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ الْمَرْأَةِ الْحَامِلِ تَرَى الدَّمَ قَالَ تَكُفُّ عَنْ الصَّلَاةِ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك وَذَلِكَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করেন, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখতে পায় সে কি করবে? তিনি বললেন, সে নামায হতে বিরত থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত হুকুম আমাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমাম মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে গর্ভবতী নারী রক্ত দেখলে কী করবে—এ প্রশ্ন করেন। ইবনু শিহাব (র) বলেন, সে নামাজ থেকে বিরত থাকবে। ইয়াহইয়া (র) আরও বলেন, ইমাম মালিক (র) বলেছেন, এটাই তাঁদের গৃহীত সিদ্ধান্ত। এখানে বিষয়টি গর্ভবতী নারীর রক্তস্রাব ও নামাজের সাথে সরাসরি যুক্ত। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত; তাই এর বাইরে অন্য মত, সময়সীমা বা চিকিৎসাগত আলোচনা যোগ করা হয়নি। “গর্ভবতী রক্ত দেখলে নামাজ”, “গর্ভবতী নারীর সালাত”, “ইবনু শিহাব গর্ভবতী নারী” এবং “মালিক রঃ-এর সিদ্ধান্ত” এই বর্ণনার মূল সার্চ টার্ম হতে পারে। এতে বোঝা যায়, বিশেষ অবস্থার মাসআলায় প্রশ্ন করা এবং প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গর্ভবতী নারী রক্ত দেখলে নামাজ থেকে বিরত থাকার কথা এখানে বলা হয়েছে।
- প্রশ্নের উত্তর জ্ঞানী আলিমের কাছে নেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- ইমাম মালিক (র)-এর গৃহীত সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনাটি এসেছে।
