৩১/৬. অধ্যায়ঃ
যে ক্রীতদাসীর স্বামী রয়েছে সে ক্রীতদাসীর সাথে অন্য লোকের সঙ্গম নিষিদ্ধ হওয়া
বিবাহিত দাসীর বিধান: স্বামীর সম্পর্ক বিচ্ছেদ ছাড়া কাছে না যাওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৭১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৭১
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَامِرٍ أَهْدَى لِعُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ جَارِيَةً وَلَهَا زَوْجٌ ابْتَاعَهَا بِالْبَصْرَةِ فَقَالَ عُثْمَانُ لَا أَقْرَبُهَا حَتَّى يُفَارِقَهَا زَوْجُهَا فَأَرْضَى ابْنُ عَامِرٍ زَوْجَهَا فَفَارَقَهَا.
ইবন শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবন আমির (রাঃ) একটি দাসী হাদিয়া স্বরূপ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করলেন; সেই দাসীর স্বামী (বর্তমান) ছিল, তিনি উহাকে বসরাতে ক্রয় করেছিলেন। উসমান (রাঃ) বললেনঃ উহার স্বামী উহাকে ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমি এর কাছে [সঙ্গম উদ্দেশ্যে] গমন করব না। অতঃপর ইবন আমির তার স্বামীকে সম্মত করালেন, তার স্বামী তাকে ত্যাগ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবন আমির (রা) উসমান ইবন আফফান (রা)-এর কাছে একটি দাসী হাদিয়া পাঠান। দাসীটির স্বামী ছিল। উসমান (রা) বলেন, তার স্বামী তাকে ত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি তার কাছে যাবেন না। পরে ইবন আমির দাসীর স্বামীকে সন্তুষ্ট করেন এবং স্বামী তাকে ত্যাগ করে। হাদিসটি খুব স্পষ্টভাবে দেখায়, দাসী ক্রয় বা হাদিয়া পাওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অনুমতি নয়, যদি তার স্বামী থাকে। এখানে স্বামীর অধিকার, বিবাহিত নারীর অবস্থান এবং সম্পর্কের আগে বাধা দূর করার বিষয় এসেছে। বর্ণনাটি সতর্কতা, অধিকার রক্ষা এবং শরয়ি সীমা মানার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামী থাকা অবস্থায় দাসীর সঙ্গে সম্পর্ক করা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিয়া বা ক্রয় হলেও পূর্বের সম্পর্কের অধিকার বিবেচ্য।
- সম্পর্কের আগে বৈধতার বাধা দূর হওয়া প্রয়োজন।
