৩০/১. অধ্যায়ঃ

শিশুদের দুধ পান করানো

আয়িশা (রা)-এর দুধ-সম্পর্ক: কারা প্রবেশ করতে পারতেন

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৫৬

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدْخُلُ عَلَيْهَا مَنْ أَرْضَعَتْهُ أَخَوَاتُهَا وَبَنَاتُ أَخِيهَا وَلَا يَدْخُلُ عَلَيْهَا مَنْ أَرْضَعَهُ نِسَاءُ إِخْوَتِهَا.

আয়িশা (রা) হতে বর্ণিতঃ

ভগ্নীগণ অথবা তাঁর ভাতিজীগণ যাদেরকে দুধ পান করিয়েছেন তারা আয়িশা (রা)-এর নিকট প্রবেশ করতে পারতেন। আর যাদেরকে তাঁর ভাবীগণ দুধ পান করিয়েছেন [১] তাঁরা তাঁর নিকট প্রবেশ করতে পারতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

[১] অর্থাৎ ভাইয়ের স্ত্রী হওয়ার পূর্বে যাদেরকে দুধ পান করিয়েছেন তাদেরকে তিনি প্রবেশের অনুমতি দিতেন না।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৫৬-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আয়িশা (রা)-এর কাছে প্রবেশের বিষয়ে দুধ-সম্পর্কের একটি দিক এসেছে। বলা হয়েছে, যাদেরকে আয়িশা (রা)-এর ভগ্নীগণ অথবা ভাতিজীগণ দুধ পান করিয়েছেন, তারা তার কাছে প্রবেশ করতে পারতেন। কিন্তু যাদেরকে তার ভাবীগণ দুধ পান করিয়েছেন, তারা তার কাছে প্রবেশ করতে পারতেন না। এই বর্ণনায় দুধ-সম্পর্কের দিক নির্ধারণের গুরুত্ব দেখা যায়। শুধু কোনো আত্মীয়ের ঘরের নারী দুধ পান করালেই একই বিধান হবে—এমন সরল কথা এখানে বলা হয়নি। বরং কোন দিকের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, তা খেয়াল করা হয়েছে। তাই রাযা‘আত বা দুধ-সম্পর্ক বুঝতে আত্মীয়তার পথ ও সম্পর্কের দিকগুলো স্পষ্ট জানা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দুধ-সম্পর্কে কোন দিক থেকে সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ।
  • আয়িশা (রা)-এর ভগ্নী ও ভাতিজীদের দুধপান করানো ব্যক্তিরা প্রবেশ করতেন।
  • ভাবীদের দুধপান করানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে একই অনুমতি ছিল না।
  • রাযা‘আতের বিধান বুঝতে পারিবারিক সম্পর্ক ভালোভাবে জানা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন