৩০/১. অধ্যায়ঃ
শিশুদের দুধ পান করানো
রাযা‘আতের বয়স: ছোট বয়সের দুধপানই ধর্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৫৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৫৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ لَا رَضَاعَةَ إِلَّا لِمَنْ أُرْضِعَ فِي الصِّغَرِ وَلَا رَضَاعَةَ لِكَبِيْرٍ.
নাফি’ (রা) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : ছোট বেলায় যাকে দুধ খাওয়ান হয় উহাই গ্রহণযোগ্য, বড়দের দুধ পান করান ধর্তব্য নয়, অর্থাৎ উহাতে দুধ পান-এর ফলে যে হুকুম হয় তা হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলতেন, দুধপানের বিধান শুধু তার জন্য, যাকে ছোট বয়সে দুধ পান করানো হয়েছে। বড়দের দুধ পান করানো ধর্তব্য নয়। অর্থাৎ বড় বয়সে দুধ পান করালে দুধ-সম্পর্কের সেই হুকুম হবে না, যা ছোট শিশুর দুধপানের কারণে হয়। এই হাদিস রাযা‘আতের বয়সের বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করে। দুধ-সম্পর্কে মাহরাম হওয়া, বিবাহ হারাম হওয়া এবং ঘরে প্রবেশের অনুমতির মতো বিষয়গুলো তখনই আসে, যখন দুধপান গ্রহণযোগ্য বয়সে হয়েছে। তাই শুধু দুধ পান করানো হয়েছে—এ কথাই যথেষ্ট নয়; কখন পান করানো হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ছোট বয়সে দুধপান করানোই রাযা‘আতের বিধানে ধর্তব্য।
- বড়দের দুধপান দুধ-সম্পর্কের হুকুম তৈরি করে না—এ বক্তব্য এসেছে।
- দুধ-সম্পর্ক বুঝতে বয়সের বিষয়টি জরুরি।
- বিবাহের বিধানে দুধপানের সময় জানাও গুরুত্বপূর্ণ।
