২৯/৩৩. অধ্যায়ঃ
বাঁদীর ইদ্দত - যদি তার কর্তা কিংবা স্বামীর মৃত্যু হয়
ক্রীতদাসীর ইদ্দত: স্বামীর মৃত্যু হলে দুই মাস পাঁচ রাত্রি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৩১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৩১
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانَا يَقُوْلَانِ عِدَّةُ الْأَمَةِ إِذَا هَلَكَ عَنْهَا زَوْجُهَا شَهْرَانِ وَخَمْسُ لَيَالٍ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা উভয়ে বলতেন : ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে দুই মাস পাঁচ রাত্রি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) ইবনু শিহাব হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ক্রীতদাসীর ইদ্দত সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট কথা এসেছে। সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) বলতেন, ক্রীতদাসীর স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দত হবে দুই মাস পাঁচ রাত্রি। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত এবং বিশেষভাবে বাঁদীর ইদ্দতের সময়সীমা। এখানে কোনো দীর্ঘ ঘটনা নেই; বরং একটি সংক্ষিপ্ত ফিকহি বর্ণনা আছে। বর্ণনায় আরও এসেছে, ইমাম মালিক (র) ইবনু শিহাব থেকেও অনুরূপ কথা বর্ণনা করেছেন। তাই পাঠকের জন্য মূল শিক্ষা হলো, ইদ্দতের বিধান সময়ের হিসাবে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তা বর্ণনাকারীদের কথার মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। এই হাদিস পড়লে ক্রীতদাসীর ইদ্দত, স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত এবং দুই মাস পাঁচ রাত্রি—এই বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্রীতদাসীর স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দতের সময় দুই মাস পাঁচ রাত্রি বলা হয়েছে।
- ইদ্দতের সময়সীমা নির্দিষ্টভাবে জানা ও মানার বিষয়টি এ বর্ণনায় স্পষ্ট।
- সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার এবং ইবনু শিহাব থেকে অনুরূপ বর্ণনা এসেছে।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও ইদ্দতের একটি বিশেষ অবস্থার বিধান বুঝতে সাহায্য করে।
