২/২৬. অধ্যায়ঃ
স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে স্বামীর জন্য তার কতটুকু হালাল হবে
ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে মেলামেশার সীমা: ইযার বাঁধার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৩
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا يَحِلُّ لِي مِنْ امْرَأَتِي وَهِيَ حَائِضٌ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِتَشُدَّ عَلَيْهَا إِزَارَهَا ثُمَّ شَأْنَكَ بِأَعْلَاهَا.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) হতে বর্ণিতঃ
একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে আমার জন্য তার কতটুকু হালাল? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন স্ত্রীলোক তার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে। অতঃপর তোমার জন্য তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের সমর্থনে অনেক হাদীস রয়েছে)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জানতে চান, স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে তার কতটুকু হালাল। উত্তরে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, স্ত্রী তার ইযার শক্ত করে বাঁধবে, এরপর তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। এই বর্ণনায় মূল শিক্ষা হলো, হায়েয অবস্থায় দাম্পত্য সম্পর্কের একটি সীমা আছে। এখানে সরাসরি সহবাসের অনুমতি দেওয়া হয়নি; বরং ইযার বাঁধার কথা বলা হয়েছে এবং উপরের অংশে মেলামেশার সীমা দেখানো হয়েছে। তাই “ঋতুমতী স্ত্রীর বিধান”, “হায়েয অবস্থায় মেলামেশা” এবং “ইযার বাঁধার নিয়ম” এই হাদিসের প্রধান বিষয়। হাদিসটি দাম্পত্য জীবনে পবিত্রতা, সংযম এবং শরয়ী সীমা মানার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েয অবস্থায় দাম্পত্য মেলামেশার ক্ষেত্রে সীমা মানতে বলা হয়েছে।
- ইযার শক্ত করে বাঁধার নির্দেশ সহবাস থেকে বিরত থাকার ইঙ্গিত দেয়।
- প্রশ্নের উত্তরে নবীজি সহজ ভাষায় ব্যবহারিক নির্দেশনা দিয়েছেন।
