২৯/৩১. অধ্যায়ঃ
যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার জন্য ইদ্দত পালনার্থে নিজ গৃহে অবস্থান করা
বিধবার ইদ্দত: স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবারের সাথে অবস্থানের বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২২৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২২৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْمَرْأَةِ الْبَدَوِيَّةِ يُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا إِنَّهَا تَنْتَوِي حَيْثُ انْتَوَى أَهْلُهَا، قَالَ مَالِك وَهَذَا الْأَمْرُ عِنْدَنَا.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলতেন, গ্রামাঞ্চলের স্ত্রীলোক যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে সে আপন পরিজন যেই স্থানে অবস্থান করে সেই স্থানে অবস্থান করবে। (মালিক (র) বললেন : আমাদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ।) (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বিধবার ইদ্দত এবং ইদ্দতের সময় কোথায় অবস্থান করবে—এ সম্পর্কিত একটি ফয়সালা। এখানে বলা হয়েছে, গ্রামাঞ্চলের এমন স্ত্রীলোক যার স্বামী মারা গেছে, সে তার আপন পরিজন যেখানে অবস্থান করে, সেই স্থানে অবস্থান করবে। অর্থাৎ এই বর্ণনায় বিশেষভাবে গ্রামাঞ্চলের নারীর কথা এসেছে, যার পরিবার চলাফেরা বা বসবাসের জায়গা বদলায়। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, এমন অবস্থায় সে নিজের পরিবারের অবস্থানস্থলেই থাকবে। ইমাম মালিক (র) বলেন, তাঁদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ। তাই এই হাদিসে বিধবার ইদ্দত, স্বামীর মৃত্যুর পর অবস্থান, পরিবারের সাথে থাকা—এসব বিষয় খুব সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বা সাধারণ সব নারীর জন্য আলাদা কোনো বিস্তারিত বিধান বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যাতেও কেবল বর্ণিত কথাটিই রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দতের সময় নারীর অবস্থান বিষয়ে শরীয়তে দিকনির্দেশনা আছে।
- গ্রামাঞ্চলের নারী তার আপনজন যেখানে অবস্থান করে, সেখানে অবস্থান করতে পারে—এ কথা বর্ণনায় এসেছে।
- ইমাম মালিক (র) এই ফয়সালাকে তাঁদের নিকট গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
- হাদিস বুঝতে হলে বর্ণনায় যে অবস্থার কথা এসেছে, সেটির সীমা বজায় রাখা দরকার।
