২৯/২৭. অধ্যায়ঃ

যাকে বিবাহ করা হয়নি তাকে তালাক দেয়ার কসম খাওয়া সম্পর্কে বর্ণনা

বিবাহের আগে তালাকের কসম: কখন তা কার্যকর হয়?

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২১১

و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ وَالْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَابْنَ شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا حَلَفَ الرَّجُلُ بِطَلَاقِ الْمَرْأَةِ قَبْلَ أَنْ يَنْكِحَهَا ثُمَّ أَثِمَ إِنَّ ذَلِكَ لَازِمٌ لَهُ إِذَا نَكَحَهَ৭৯و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَقُولُ فِيمَنْ قَالَ كُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ إِنَّهُ إِذَا لَمْ يُسَمِّ قَبِيلَةً أَوْ امْرَأَةً بِعَيْنِهَا فَلَا شَيْءَ عَلَيْهِ قَالَ مَالِك وَهَذَا أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ اااا.২১৭৩-قَالَ مَالِك فِي الرَّجُلِ يَقُولُ لِامْرَأَتِهِ أَنْتِ الطَّلَاقُ وَكُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ وَمَالُهُ صَدَقَةٌ إِنْ لَمْ يَفْعَلْ كَذَا وَكَذَا فَحَنِثَ.قَالَ أَمَّا نِسَاؤُهُ فَطَلَاقٌ كَمَا قَالَ وَأَمَّا قَوْلُهُ كُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ فَإِنَّهُ إِذَا لَمْ يُسَمِّ امْرَأَةً بِعَيْنِهَا أَوْ قَبِيلَةً أَوْ أَرْضًا أَوْ نَحْوَ هَذَا فَلَيْسَ يَلْزَمُهُ ذَلِكَ وَلْيَتَزَوَّجْ مَا شَاءَ وَأَمَّا مَالُهُ فَلْيَتَصَدَّقْ بِثُلُثِهََََِ اااا.

মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ

তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা), সালিম ইবনু আবদিল্লাহ্ (র), কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) ইবনু শিহাব (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা সকলেই বলতেন : কোন লোক বিবাহের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার কসম খেলে তারপর কসম ভাঙ্গলেও বিবাহ করার পর তালাক অবশ্যম্ভাবী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি বলেছে : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি সে তালাকপ্রাপ্তা হবে, যদি সে কোন গোত্রকে নির্দিষ্ট না করে অথবা কোন নারীকে নির্দিষ্ট না করে তবে তার উপর জরুরী হবে না। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম যা আমি শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলল, তোমাকে তালাক এবং যে কোন নারীকে বিবাহ করি তাকেও তালাক এবং আমার মাল সব (আল্লাহর রাস্তায়) সদকাস্বরূপ। যদি আমি অমুক অমুক কাজ না করি। পরে কসম ভেঙ্গেছে (এবং সেই সেই কাজও করেনি)। তিনি [মালিক (র)] বলেন : সে ব্যক্তির স্ত্রী তালাক হয়ে যাইবে যেমন সে বলেছে, আর তার উক্তি : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি উহার প্রতি তালাক, ইহার বিধান সে যদি কোন নারীকে অথবা গোত্রকে অথবা কোন স্থানকে অথবা এরূপ অন্য কিছুকে নির্দিষ্ট না করে থাকে তবে এইরূপ কসমের দ্বারা তার উপর কিছুই বাধ্যতামূলক হবে না, যত ইচ্ছা সে বিবাহ করতে পারবে। আর তার মালের এক তৃতীয়াংশ সদকা করে দিতে হবে।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২১১-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় বিবাহের আগে তালাকের কসম নিয়ে কয়েকজন সাহাবি ও তাবিঈর মত এসেছে। তাঁরা বলতেন, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নারীকে বিয়ে করার আগে তার তালাকের কসম করে এবং পরে কসম ভাঙে, তাহলে বিবাহের পর তা তার ওপর বাধ্য হবে। তবে আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা)-এর একটি কথা এসেছে: কেউ যদি সাধারণভাবে বলে, যে কোনো নারীকে আমি বিবাহ করব সে তালাকপ্রাপ্তা, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট নারী, গোত্র বা স্থান উল্লেখ না করে, তাহলে তার ওপর তা বাধ্য হবে না। ইমাম মালিক (র) এই মতকে উত্তম বলেছেন। আরও বলা হয়েছে, নিজের স্ত্রীকে তালাকের কথা বললে তা তার কথামতো হবে, আর মাল সদকার শর্ত করলে মালের এক তৃতীয়াংশ সদকা করবে। হাদিসটি কসম, তালাক এবং কথার দায় সম্পর্কে সতর্ক করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তালাকের কসম হালকা কথা নয়; এতে দায় তৈরি হতে পারে।
  • নির্দিষ্ট নারী, গোত্র বা স্থান উল্লেখ থাকলে বিধান আলাদা হতে পারে।
  • অস্পষ্ট ও সাধারণ কথার ক্ষেত্রে আলাদা ফয়সালা এসেছে।
  • মাল সদকার শর্ত করলে মালের এক তৃতীয়াংশ সদকার কথা বলা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন