২৯/২৩. অধ্যায়ঃ

তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর খোরপোশের বর্ণনা

বায়েন তালাকপ্রাপ্তা নারীর ইদ্দত ও খোরপোশের নিয়ম

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২০৬

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ شِهَابٍ يَقُوْلُ: الْمَبْتُوتَةُ لَا تَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهَا حَتَّى تَحِلَّ وَلَيْسَتْ لَهَا نَفَقَةٌ إِلَّا أَنْ تَكُونَ حَامِلًا فَيُنْفَقُ عَلَيْهَا حَتَّى تَضَعَ حَمْلَهَا قَالَ مَالِك وَهَذَا الْأَمْرُ عِنْدَنَا.

ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ

যে স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেয়া হয়েছে, সে নিজ গৃহ হতে (ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে) হালাল না হওয়া পর্যন্ত বের হবে না। তার জন্য খোরপোশও নাই, কিন্তু যদি গর্ভবতী হয় তবে সন্তান প্রসব পর্যন্ত স্বামী তার খোরপোশ দিবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২০৬-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় ইবনু শিহাব (র)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, যে স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেওয়া হয়েছে, সে হালাল হওয়া পর্যন্ত নিজের ঘর থেকে বের হবে না। তার জন্য খোরপোশ নেই, তবে যদি সে গর্ভবতী হয়, তাহলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত স্বামী তার খোরপোশ দেবে। ইমাম মালিক (র) বলেন, তাঁদের সিদ্ধান্তও এইরূপ। হাদিসটি খুব স্পষ্টভাবে বায়েন তালাক, ইদ্দত এবং খোরপোশের সীমা তুলে ধরে। এখানে একদিকে ঘরে থাকার নির্দেশ আছে, অন্যদিকে গর্ভবতী নারীর প্রয়োজনের বিষয়টিও দেখা হয়েছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, তালাকের পর ইদ্দত শুধু সময়ের হিসাব নয়; এতে থাকার জায়গা, খরচ এবং গর্ভের সন্তানের বিষয়ও যুক্ত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বায়েন তালাকপ্রাপ্তা নারী ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে ঘর ছাড়বে না।
  • সাধারণ অবস্থায় বায়েন তালাকপ্রাপ্তা নারীর খোরপোশ নেই বলা হয়েছে।
  • গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত খোরপোশের দায়িত্ব স্বামীর।
  • ইদ্দতের বিধানে নারীর অবস্থা ও প্রয়োজন বিবেচিত হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন