২৯/২১. অধ্যায়ঃ
তালাকের ইদ্দতে উল্লিখিত ‘আকরা’ [১] এবং ঋতুমতী স্ত্রীলোকের তালাকের বর্ণনা
[১] قرء-এর বহু বচন اقراء এটি হারয এবং তুহর উভয় অর্থে ব্যবহার হয়।
খুলা তালাকের ইদ্দত: তিন কুরূর বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৯৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৯৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَابْنِ شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ إِنَّ عِدَّةَ الْمُخْتَلِعَةِ ثَلَاثَةُ قُرُوءٍ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব ইবনু শিহাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) এরা সকলে বলতেন, খুলা’ তালাক গ্রহণকারিণীর ইদ্দত হচ্ছে তিন কুরূ (তিন হায়েয)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় খুলা তালাকের ইদ্দত। ইমাম মালিক (র)-এর কাছে বর্ণনা পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব, ইবনু শিহাব এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার বলতেন, খুলা তালাক গ্রহণকারিণীর ইদ্দত তিন কুরূ। এখানে খুলা গ্রহণকারী নারীর ইদ্দত কত—এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এসেছে। বর্ণনায় বাড়তি শর্ত বা আলাদা ঘটনা উল্লেখ করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় এটুকুই বলা যায়, খুলার পরও ইদ্দতের হিসাব রাখা দরকার, এবং এই বর্ণনায় তিন কুরূ বলা হয়েছে। যারা তালাক, খুলা ও ইদ্দতের পার্থক্য জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায়, বিবাহ বিচ্ছেদের ধরন বদলালেও ইদ্দতের আলোচনা গুরুত্ব হারায় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খুলা গ্রহণকারিণীর ইদ্দত তিন কুরূ বলা হয়েছে।
- খুলার পরও ইদ্দতের হিসাব রাখা দরকার।
- একাধিক জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্য এই বিষয়ে এসেছে।
- তালাক ও খুলার ক্ষেত্রে ইদ্দত জানা গুরুত্বপূর্ণ।
