২৯/২১. অধ্যায়ঃ
তালাকের ইদ্দতে উল্লিখিত ‘আকরা’ [১] এবং ঋতুমতী স্ত্রীলোকের তালাকের বর্ণনা
[১] قرء-এর বহু বচন اقراء এটি হারয এবং তুহর উভয় অর্থে ব্যবহার হয়।
তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৯৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৯৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ: إِذَا طَلَّقَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ فَدَخَلَتْ فِي الدَّمِ مِنْ الْحَيْضَةِ الثَّالِثَةِ فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ وَبَرِئَ مِنْهَا قَالَ مَالِك وَهُوَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
কোন ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে এবং স্বামী তা হতে পৃথক হয়ে যাবে। স্ত্রী স্বামীর মীরাস পাবে না এবং স্বামীও স্ত্রীর মীরাস পাবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত অনুরূপ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় তৃতীয় ঋতুস্রাবে পৃথক হওয়া। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কোনো ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্ত্রী স্বামী থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং স্বামীও স্ত্রী থেকে পৃথক হয়ে যায়। ইমাম মালিক (র) বলেন, তাঁদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। এখানে মীরাসের কথা সরাসরি এই বর্ণনায় নেই, কিন্তু বিচ্ছেদের সীমা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তালাকের ইদ্দত কখন শেষ হবে এবং সম্পর্ক কখন শেষ ধাপে পৌঁছাবে—এটি জানার জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, ইদ্দতের সময় শুধু অপেক্ষা নয়; এর মাধ্যমে সম্পর্কের আইনি অবস্থা নির্ধারিত হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালাকের পর তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে বিচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে।
- স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের পৃথক হওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
- ইদ্দতের হিসাব সম্পর্কের অবস্থান নির্ধারণ করে।
- ইমাম মালিক র. এই মতকে তাঁদের সিদ্ধান্ত বলেছেন।
