২৯/২১. অধ্যায়ঃ
তালাকের ইদ্দতে উল্লিখিত ‘আকরা’ [১] এবং ঋতুমতী স্ত্রীলোকের তালাকের বর্ণনা
[১] قرء-এর বহু বচন اقراء এটি হারয এবং তুহর উভয় অর্থে ব্যবহার হয়।
আয়িশা রা.-এর মত অনুযায়ী কুরূ ও ইদ্দতের বুঝ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৯৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৯৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ مَا أَدْرَكْتُ أَحَدًا مِنْ فُقَهَائِنَا إِلَّا وَهُوَ يَقُولُ هَذَا يُرِيدُ قَوْلَ عَائِشَةَ.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু ‘আবদির রহমান (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমাদের ফকীহদের প্রত্যেককে ‘আয়িশার উক্তির মতো এই ব্যাপারে কথা বলতে শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কুরূ ও ইদ্দত। আবূ বাক্র ইবনু আবদির রহমান (র) বলেন, তিনি তাঁদের ফকীহদের প্রত্যেককে আয়িশা (রা)-এর কথার মতো বলতে শুনেছেন। এখানে সংক্ষিপ্তভাবে আগের আলোচনার সমর্থন এসেছে, যেখানে আকরা বা কুরূর অর্থ তুহর বলা হয়েছিল। এই বর্ণনা দেখায়, তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর ইদ্দতের বিষয়ে আয়িশা (রা)-এর ব্যাখ্যা একা কোনো বিচ্ছিন্ন কথা ছিল না; তাঁদের ফকীহদের কাছেও তা গ্রহণযোগ্য ছিল। হাদিসটি ছোট হলেও ইদ্দতের হিসাব বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তালাকের পর কখন স্ত্রী পৃথক হবে, কখন রুজূর সুযোগ থাকবে—এসব বিষয়ে ইদ্দতের হিসাব বড় ভূমিকা রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইদ্দতের বিষয়ে আয়িশা রা.-এর ব্যাখ্যাকে ফকীহরা সমর্থন করেছেন।
- কুরূর অর্থ বোঝা তালাকের ইদ্দত বুঝতে সাহায্য করে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও ফিকহি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে।
- জ্ঞানীদের ধারাবাহিক মত একটি বিষয়ের গুরুত্ব বাড়ায়।
