২৯/১৮. অধ্যায়ঃ
ক্রীতদাসের তালাক
ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা: কার হাতে অধিকার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৮৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: مَنْ أَذِنَ لِعَبْدِهِ أَنْ يَنْكِحَ فَالطَّلَاقُ بِيَدِ الْعَبْدِ لَيْسَ بِيَدِ غَيْرِهِ مِنْ طَلَاقِهِ شَيْءٌ فَأَمَّا أَنْ يَأْخُذَ الرَّجُلُ أَمَةَ غُلَامِهِ أَوْ أَمَةَ وَلِيدَتِهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় ক্রীতদাসের তালাকের অধিকার। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে বিবাহের অনুমতি দেয়, সেই ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা ক্রীতদাসের হাতেই থাকবে। অন্য কারও হাতে তার তালাকের কোনো ক্ষমতা থাকবে না। বর্ণনার শেষে আরও বলা হয়েছে, ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখার বিষয়ে দোষ নেই। এই হাদিসে মূল শিক্ষা হলো, বিবাহের অনুমতির পর তালাকের সিদ্ধান্ত কে নেবে—তা স্পষ্ট করা। এতে বুঝা যায়, বিবাহের সম্পর্ক শুধু মালিকের ইচ্ছার বিষয় নয়; স্বামীর নিজের তালাকের অধিকারও আলোচনায় এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিবাহের অনুমতি পেলে ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা তার নিজের হাতে বলা হয়েছে।
- অন্য কেউ তার তালাকের অধিকার রাখে না—এ কথা স্পষ্ট করা হয়েছে।
- তালাকের ক্ষমতা কে ব্যবহার করবে, তা জানা পারিবারিক ফয়সালায় জরুরি।
- বর্ণনায় মালিকানা সম্পর্কিত একটি আলাদা বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
