২৯/১৮. অধ্যায়ঃ
ক্রীতদাসের তালাক
দুই তালাকের ফতোয়া: যায়দ ইবনু সাবিত রা.-এর জবাব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৮৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ أَنَّ نُفَيْعًا مُكَاتَبًا كَانَ لِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَفْتَى زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَالَ إِنِّي طَلَّقْتُ امْرَأَةً حُرَّةً تَطْلِيقَتَيْنِ فَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ حَرُمَتْ عَلَيْكَ.
মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) হতে বর্ণিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মুকাতবের দুই তালাক। নুফাই, যিনি উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব ছিলেন, যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর কাছে ফতোয়া চান। তিনি বলেন, আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি, এখন আমার করণীয় কী? যায়দ (রা) উত্তর দেন, স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়ে গেছে। এখানে বর্ণনা শুধু প্রশ্ন ও উত্তরকে সামনে এনেছে। কোনো বাড়তি ঘটনা বা কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই হাদিসের শিক্ষা হলো, তালাকের বিষয়ে নির্দিষ্ট অবস্থার ফয়সালা জানতে অভিজ্ঞ আলেম বা জ্ঞানীর কাছে ফিরে যাওয়া দরকার। বিশেষ করে আযাদ স্ত্রী, মুকাতব স্বামী এবং দুই তালাক—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে থাকলে ফয়সালা সাধারণভাবে অনুমান করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালাকের বিষয়ে অনুমান নয়, জ্ঞানী ব্যক্তির ফতোয়া দরকার।
- আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে নুফাইয়ের জন্য রুজূর পথ বন্ধ বলা হয়েছে।
- তালাকের সংখ্যা মুখের কথা নয়; এর আইনি ফল আছে।
- প্রশ্ন সংক্ষিপ্ত হলেও উত্তর পরিবার জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে পারে।
