২৯/১৮. অধ্যায়ঃ

ক্রীতদাসের তালাক

আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক: উসমান রা.-এর ফতোয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৮৬

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ نُفَيْعًا مُكَاتَبًا كَانَ لِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَلَّقَ امْرَأَةً حُرَّةً تَطْلِيقَتَيْنِ فَاسْتَفْتَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَقَالَ حَرُمَتْ عَلَيْكَ.

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) হতে বর্ণিতঃ

নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক। নুফাই ছিলেন উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব। তিনি তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দেন। এরপর তিনি উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর কাছে ফতোয়া জানতে চান। উসমান (রা) জবাবে বলেন, স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়ে গেছে। এই বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তালাকের সীমা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়নি, বরং সরাসরি ফয়সালা এসেছে। তাই ব্যাখ্যার সময় শুধু এটুকুই বলা যায় যে, নুফাইয়ের অবস্থায় দুই তালাকের পর রুজূর সুযোগ রাখা হয়নি। হাদিসটি আমাদের শেখায়, তালাকের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে কথা, সংখ্যা ও অবস্থা—সবকিছু হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দুই তালাকের ফল সব অবস্থায় একভাবে বোঝা যায় না; ব্যক্তির অবস্থা বিবেচ্য হতে পারে।
  • ফতোয়া জানতে সাহাবীর কাছে যাওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
  • তালাকের শব্দ ব্যবহার করার আগে তার ফল জানা জরুরি।
  • সংক্ষিপ্ত ফয়সালাও বড় পারিবারিক সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন