২৯/৮. অধ্যায়ঃ
আযাদ ব্যক্তির যিহার
যিহারের কাফফারা: এক কথায় একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে এক কাফফারা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৬০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ تَظَاهَرَ مِنْ أَرْبَعَةِ نِسْوَةٍ لَهُ بِكَلِمَةٍ وَاحِدَةٍ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْهِ إِلَّا كَفَّارَةٌ وَاحِدَةٌ.
উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণিতঃ
সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কেউ যদি এক কথায় তার চার স্ত্রীর সঙ্গে যিহার করে, তাহলে তার ওপর একটি মাত্র কাফফারা। ইমাম মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং বলেন, তাঁদের সিদ্ধান্তও এমন। এরপর তিনি কুরআনে যিহারের কাফফারার ধাপ উল্লেখ করেন—স্ত্রীকে স্পর্শ করার আগে একটি দাস মুক্ত করা; তা সম্ভব না হলে একাধারে দুই মাস রোযা রাখা; সেটিও না পারলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করানো। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, যিহার গুরুতর কথা; এর পর স্ত্রীকে স্পর্শ করার আগে কাফফারার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক কথায় একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে যিহার করলে এখানে এক কাফফারার কথা এসেছে।
- যিহারের পরে স্ত্রীকে স্পর্শ করার আগে কাফফারা দিতে বলা হয়েছে।
- কাফফারার ধাপ হিসেবে দাস মুক্তি, দুই মাস রোযা, বা ষাট মিসকীনকে খাওয়ানোর কথা এসেছে।
- যিহার দাম্পত্য জীবনের গুরুতর শপথসদৃশ কথা, তাই এতে সতর্কতা দরকার।
