২৮/২০. অধ্যায়ঃ
মুশরিক স্বামীর পূর্বে তার স্ত্রী মুসলমান হলে তাদের বিবাহ সম্পর্কিত হুকুম
হিজরত ও দাম্পত্য সম্পর্ক: ইদ্দতের আগে স্বামীর আগমন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১২৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১২৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ كَانَ بَيْنَ إِسْلَامِ صَفْوَانَ وَبَيْنَ إِسْلَامِ امْرَأَتِهِ نَحْوٌ مِنْ شَهْرَيْنِ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَلَمْ يَبْلُغْنَا أَنَّ امْرَأَةً هَاجَرَتْ إِلَى اللهِ وَرَسُولِهِ وَزَوْجُهَا كَافِرٌ مُقِيمٌ بِدَارِ الْكُفْرِ إِلَّا فَرَّقَتْ هِجْرَتُهَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ زَوْجِهَا إِلَّا أَنْ يَقْدَمَ زَوْجُهَا مُهَاجِرًا قَبْلَ أَنْ تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا.
মালিক (র) ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেছে : সাফওয়ান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও তার স্ত্রীর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের মধ্যে ব্যবধান ছিল অন্ততঃ দুই মাসের। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)ইব্নু শিহাব (র) বলেন : কোন স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হিজরত করলে এবং তার স্বামী কাফের অবস্থায় দারুল কুফর থাকলে তবে তাঁর হিজরত তাঁর ও তাঁর স্বামীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করবে। তবে যদি তাঁর স্বামী ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে হিজরত করে। (এমতাবস্থায় স্ত্রী তারই থাকবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, সাফওয়ান ইসলাম গ্রহণ এবং তাঁর স্ত্রীর ইসলাম গ্রহণের মধ্যে প্রায় দুই মাস ব্যবধান ছিল। এরপর ইবনু শিহাব (র) একটি নিয়মের কথা বলেন। কোনো নারী যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হিজরত করে, আর তার স্বামী কাফির অবস্থায় দারুল কুফরে থাকে, তবে সেই হিজরত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাবে। তবে যদি স্বামী স্ত্রীর ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে হিজরত করে আসে, তাহলে স্ত্রী তারই থাকবে। এখানে মূল কথা হলো—হিজরত, ইদ্দত এবং স্বামীর সময়মতো ফিরে আসা বিবাহের অবস্থাকে প্রভাবিত করে। এই হাদিসটি ইসলাম গ্রহণের পর পারিবারিক সম্পর্কের একটি সূক্ষ্ম দিক তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্ত্রীর হিজরত দাম্পত্য সম্পর্কের হুকুমে প্রভাব ফেলতে পারে।
- ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে স্বামীর আগমন এখানে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে এসেছে।
- ইসলাম গ্রহণ ও হিজরতের ঘটনায় পারিবারিক বিধান ধাপে ধাপে বিবেচিত হয়।
