২৮/১৫. অধ্যায়ঃ
পিতার দাসীর সাথে সহবাস নিষিদ্ধ হওয়া
দাসীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থার পর পুত্রকে দান করার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১১৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১১৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ أَبَا نَهْشَلِ بْنَ الْأَسْوَدِ قَالَ لِلْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ إِنِّي رَأَيْتُ جَارِيَةً لِي مُنْكَشِفًا عَنْهَا وَهِيَ فِي الْقَمَرِ فَجَلَسْتُ مِنْهَا مَجْلِسَ الرَّجُلِ مِنْ امْرَأَتِهِ فَقَالَتْ إِنِّي حَائِضٌ فَقُمْتُ فَلَمْ أَقْرَبْهَا بَعْدُ أَفَأَهَبُهَا لِابْنِي يَطَؤُهَا فَنَهَاهُ الْقَاسِمُ عَنْ ذَلِكَ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রা) হতে বর্ণিতঃ
আবূ নাহ্শল ইব্নু আসওয়াদ, কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললেন : আমার এক দাসীকে চাঁদনী রাতে পরিচ্ছেদ খোলা অবস্থায় দেখেছি। সংগত হওয়ার উদ্দেশ্যে কোন পুরুষ তার স্ত্রীর নিকট যেভাবে বসে আমিও উহার নিকট সেইরূপ বসলাম। সে দাসী বলল : আমি ঋতুমতী। এটা শুনে আমি তার সাথে সংগত হলাম না। এখন আমি উহাকে সহবাসের জন্য আমার পুত্রকে দান করতে চাই কিন্তু কাসেম তাঁকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ নাহ্শল ইব্নু আসওয়াদ কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে নিজের ঘটনার কথা বলেন। তিনি এক চাঁদনী রাতে নিজের দাসীকে খোলা অবস্থায় দেখেন এবং সংগত হওয়ার উদ্দেশ্যে স্ত্রীর কাছে বসার মতো তার কাছে বসেন। তখন দাসী জানায় যে সে ঋতুমতী। এরপর তিনি তার সঙ্গে সহবাস করেননি। পরে তিনি জানতে চান, তিনি কি সেই দাসীকে নিজের পুত্রকে সহবাসের জন্য দান করতে পারেন? কাসেম (র) তাকে তা করতে নিষেধ করেন। এখানে মূল বিষয় হলো ‘দাসীকে পুত্রকে দান’, ‘সহবাসের উদ্দেশ্য’, ‘ঋতুমতী দাসী’ এবং ‘সতর্কতার বিধান’। বর্ণনায় সহবাস হয়নি বলা হলেও ঘনিষ্ঠ অবস্থান ও উদ্দেশ্যের কারণে কাসেম (র) নিষেধ করেছেন। তাই এখানে সংযম ও সতর্কতার দিকটি খুব স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সহবাস না হলেও ঘনিষ্ঠ অবস্থার পর সতর্কতা দেখানো হয়েছে।
- ঋতুমতী বলায় ব্যক্তি সহবাস থেকে বিরত ছিলেন।
- পুত্রকে দাসী দান করার প্রশ্নে কাসেম (র) নিষেধ করেছেন।
- পরিবারের ভেতর যৌন সম্পর্কের সীমা নিয়ে সাবধান থাকা দরকার।
