২৮/৫. অধ্যায়ঃ
আইয়্যেম ও বাকেরা-এর নিকট অবস্থান করা
নতুন স্ত্রীর পালা: কুমারীর সাত দিন, অকুমারীর তিন দিন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৯৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৯৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِلْبِكْرِ سَبْعٌ وَلِلثَّيِّبِ ثَلَاثٌ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا ১৯৩৭-قَالَ مَالِك فَإِنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَةٌ غَيْرُ الَّتِي تَزَوَّجَ فَإِنَّهُ يَقْسِمُ بَيْنَهُمَا بَعْدَ أَنْ تَمْضِيَ أَيَّامُ الَّتِي تَزَوَّجَ بِالسَّوَاءِ وَلَا يَحْسِبُ عَلَى الَّتِي تَزَوَّجَ مَا أَقَامَ عِنْدَهَا.
হুমাইদ তাবীল (র) হতে বর্ণিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রা) বলতেন : (অবস্থানের হক) কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও অনুরূপ। (বুখারী ৫২১৩, মুসলিম ১৪৬১)মালিক (র) বলেন : নতুন স্ত্রী ব্যতীত যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, তবে যে স্ত্রীকে (সদ্য) বিবাহ করেছে সেই স্ত্রীর (নির্দিষ্ট বিশেষ) দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে উভয়ের মধ্যে সমান সমান পালা ভাগ করবে। আর (সদ্য) বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট যে কয়দিন অবস্থান করেছে পালা বণ্টনের মধ্যে সেই দিনগুলো হিসাব করা হবে না।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর বক্তব্য এসেছে: কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। ইমাম মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও এরকম। এরপর তিনি ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনো ব্যক্তির আগে স্ত্রী থাকে এবং সে নতুন স্ত্রীকে বিবাহ করে, তাহলে নতুন স্ত্রীর নির্দিষ্ট দিন শেষ হওয়ার পর সে স্ত্রীদের মধ্যে সমান পালা ভাগ করবে। নতুন স্ত্রীর কাছে যে কয়দিন বিশেষভাবে ছিল, সেগুলো পরবর্তী পালা বণ্টনের হিসাবের মধ্যে ধরা হবে না। এখানে “নতুন স্ত্রীর পালা”, “কুমারীর সাত দিন”, “অকুমারীর তিন দিন”, “স্ত্রীদের সমান বণ্টন” এবং “বিয়ের পর অধিকার”—এসব বিষয় এসেছে। হাদিসটি বৈবাহিক জীবনে ন্যায়, সময় দেওয়া এবং আলাদা অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নতুন কুমারী স্ত্রীর জন্য সাত দিনের কথা বলা হয়েছে।
- নতুন অকুমারী স্ত্রীর জন্য তিন দিনের কথা এসেছে।
- বিশেষ দিন শেষ হলে স্ত্রীদের পালা সমানভাবে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে।
- নতুন স্ত্রীর বিশেষ দিনগুলো পরবর্তী পালার হিসাবের সঙ্গে মেশানো হবে না।
