২৮/৪. অধ্যায়ঃ

পর্দা টাঙানো

মহর ওয়াজিব ও স্বামী-স্ত্রীর দাবির গ্রহণযোগ্যতা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৯৪

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَانَ يَقُولُ إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بِامْرَأَتِهِ فَأُرْخِيَتْ عَلَيْهِمَا السُّتُورُ فَقَدْ وَجَبَ الصَّدَاقُ ১৪-و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَانَ يَقُولُ إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بِالْمَرْأَةِ فِي بَيْتِهَا صُدِّقَ الرَّجُلُ عَلَيْهَا وَإِذَا دَخَلَتْ عَلَيْهِ فِي بَيْتِهِ صُدِّقَتْ عَلَيْهِ قَالَ مَالِك أَرَى ذَلِكَ فِي الْمَسِيسِ إِذَا دَخَلَ عَلَيْهَا فِي بَيْتِهَا فَقَالَتْ قَدْ مَسَّنِي وَقَالَ لَمْ أَمَسَّهَا صُدِّقَ عَلَيْهَا فَإِنْ دَخَلَتْ عَلَيْهِ فِي بَيْتِهِ فَقَالَ لَمْ أَمَسَّهَا وَقَالَتْ قَدْ مَسَّنِي صُدِّقَتْ عَلَيْهِ.

ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ

কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করার পর পর্দা টাঙ্গানো হলে তার মহরানা ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সহিত স্ত্রীর গৃহে মিলিত হলে সঙ্গম সম্পর্কে স্বামীর কথাই সত্য বলে গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে আগমন করে এবং মিলিত হয় সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাই গ্রাহ্য করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : আমি মনে করি, উহা হচ্ছে স্পর্শ করার ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর গৃহে তার সাথে মিলিত হলে তবে স্ত্রী যদি বলে, “সে আমাকে স্পর্শ (সহবাস) করেছে” আর স্বামী বলে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” এমতাবস্থায় স্বামীর দাবী বিশ্বাসযোগ্য হবে। পক্ষান্তরে যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে মিলিত হয়, অতঃপর (সহবাসের ব্যাপারে) স্বামী দাবি করে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” স্ত্রী দাবি করে, “আমাকে সে স্পর্শ করেছে।” এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি বিশ্বাসযোগ্য হবে।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৯৪-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর বক্তব্য এসেছে: কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে প্রবেশ করল এবং তাদের উপর পর্দা টাঙ্গানো হলো, তাহলে মহর ওয়াজিব হবে। এরপর সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর একটি বিচারনীতি এসেছে। স্বামী যদি স্ত্রীর গৃহে যায়, তখন সহবাসের দাবিতে স্বামীর কথা গ্রহণযোগ্য হবে। আর স্ত্রী যদি স্বামীর গৃহে আসে, তখন স্ত্রীর কথা গ্রহণযোগ্য হবে। ইমাম মালিক (র) ব্যাখ্যা করেন, এটি “স্পর্শ” বা সহবাসের দাবির বিষয়। যদি স্ত্রী বলে স্বামী তাকে স্পর্শ করেছে, আর স্বামী অস্বীকার করে—ঘরের অবস্থার ভিত্তিতে কার কথা ধরা হবে তা বলা হয়েছে। এখানে “মহর ওয়াজিব”, “সহবাসের দাবি”, “স্বামী-স্ত্রীর গৃহ” এবং “বিচারনীতি”—এসব মূল বিষয়। বর্ণনাটি খুব নির্দিষ্ট, তাই সাধারণীকরণ না করাই ভালো।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • পর্দা টাঙ্গানোর পর মহর ওয়াজিব হওয়ার কথা আবার এসেছে।
  • সহবাসের দাবিতে কার কথা গ্রহণযোগ্য হবে, তা অবস্থাভেদে বলা হয়েছে।
  • স্বামী ও স্ত্রীর গৃহের পার্থক্য বিচারনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।
  • ইমাম মালিক (র) বিষয়টিকে স্পর্শ বা সহবাসের দাবি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন