২৮/২. অধ্যায়ঃ
কুমারী ও তালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবা হতে বিবাহের সম্মতি নেয়ার বিধান
পিতা কুমারী মেয়েকে বিবাহ দিলে: বর্ণিত মতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৮৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৮৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانُوا يَقُولُونَ فِي الْبِكْرِ يُزَوِّجُهَا أَبُوهَا بِغَيْرِ إِذْنِهَا إِنَّ ذَلِكَ لَازِمٌ لَهَا.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ (র) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (র) তাঁরা সকলেই কুমারীর ব্যাপারে বলতেন, তার পিতা তার অনুমতি না চেয়ে তাকে বিবাহ দিলে সে বিবাহ প্রযোজ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ (র), সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) এবং সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (র)-এর মত এসেছে। তাঁরা বলতেন, কুমারী মেয়েকে তার পিতা অনুমতি না চেয়ে বিবাহ দিলে সেই বিবাহ তার জন্য প্রযোজ্য হবে। হাদিসের আলোচ্য বিষয় হলো “কুমারীর বিবাহ”, “পিতার অধিকার”, “অনুমতি ছাড়া বিবাহ” এবং “মালিকী বর্ণনা”। এখানে কোনো দীর্ঘ গল্প নেই; বরং একটি নির্দিষ্ট ফিকহী বক্তব্য আছে। তাই ব্যাখ্যার সময় এটুকুই বলা নিরাপদ যে, উক্ত আলিমদের মতে পিতার বিবাহদান কুমারী মেয়ের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক বা প্রযোজ্য বলে গণ্য হতো। এই বর্ণনা ১০৮৭ নম্বর বর্ণনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তবে পাঠ্যটি কেবল কুমারী এবং পিতার প্রসঙ্গে কথা বলেছে; অন্য পরিস্থিতি এতে যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুমারী মেয়ের বিবাহে পিতার ভূমিকা এখানে সরাসরি এসেছে।
- উল্লিখিত আলিমদের মতে পিতার দেওয়া বিবাহ প্রযোজ্য বলা হয়েছে।
- বর্ণনাটি কেবল পিতা ও কুমারীর নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলে।
- একই বিষয়ে কাছাকাছি বর্ণনার সঙ্গে এটি মিল রেখে বোঝা যায়।
