২৮/২. অধ্যায়ঃ
কুমারী ও তালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবা হতে বিবাহের সম্মতি নেয়ার বিধান
কুমারী কন্যার বিবাহ: পিতার সিদ্ধান্ত ও সম্পদের অধিকার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৮৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৮৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ كَانَا يُنْكِحَانِ بَنَاتِهِمَا الْأَبْكَارَ وَلَا يَسْتَأْمِرَانِهِنَّ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي نِكَاحِ الْأَبْكَارِ ১৯১৭-قَالَ مَالِك وَلَيْسَ لِلْبِكْرِ جَوَازٌ فِي مَالِهَا حَتَّى تَدْخُلَ بَيْتَهَا وَيُعْرَفَ مِنْ حَالِهَا.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ (র) ও সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) তাঁরা উভয়ে নিজেদের কুমারী কন্যাদেরকে তাদের অনুমতি না নিয়ে বিবাহ দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : কুমারীদের বিবাহের ব্যাপারে আমাদের নিকটও ইহা পছন্দনীয়।মালিক (র) বলেন : স্বামীর গৃহে না আসা (স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন না করা) এবং তার যোগ্যতার যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কুমারী মেয়ে তার সম্পদের উপর ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারী হয় না।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ (র) ও সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-এর আমল এসেছে। তাঁরা নিজেদের কুমারী কন্যাদের অনুমতি না নিয়ে বিবাহ দিতেন। ইমাম মালিক (র) বলেন, কুমারীদের বিবাহের ব্যাপারে তাঁদের কাছে এটাই পছন্দনীয় ছিল। এরপর তিনি আরেকটি বিষয় বলেন: কুমারী মেয়ে স্বামীর গৃহে না আসা এবং তার অবস্থা বা যোগ্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত নিজের সম্পদের উপর পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারী হয় না। এখানে “কুমারীর বিবাহ”, “পিতার ভূমিকা”, “কন্যার সম্পদের অধিকার” এবং “মালিকী ফিকহের বর্ণনা”—এসব বিষয় এসেছে। এই বর্ণনা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট আমল ও মত তুলে ধরে। তাই এটিকে সাধারণ আলোচনা না বানিয়ে, পাঠ্য অনুযায়ী বুঝতে হবে: পিতা কুমারী কন্যার বিবাহের বিষয়ে দায়িত্ব নিতেন এবং সম্পদের অধিকার নিয়েও নির্দিষ্ট শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাসেম ও সালিম (র) তাঁদের কুমারী কন্যাদের বিবাহে পিতার ভূমিকা দেখিয়েছেন।
- ইমাম মালিক (র) কুমারীদের বিবাহে এই আমলকে পছন্দনীয় বলেছেন।
- স্বামীর গৃহে যাওয়া ও অবস্থা জানা না হওয়া পর্যন্ত সম্পদ ব্যবহারের সীমা উল্লেখ হয়েছে।
- বর্ণনাটি একটি নির্দিষ্ট ফিকহী মত তুলে ধরে, তাই অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
