২৮/২. অধ্যায়ঃ

কুমারী ও তালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবা হতে বিবাহের সম্মতি নেয়ার বিধান

বিবাহে অভিভাবকের অনুমতি: পরিবার ও দায়িত্বের শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৮৬

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَا تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ إِلَّا بِإِذْنِ وَلِيِّهَا أَوْ ذِي الرَّأْيِ مِنْ أَهْلِهَا أَوْ السُّلْطَانِ.

মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ

অভিভাবক বা উক্ত পরিবারের বুদ্ধিমান ব্যক্তি অথবা রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতি ব্যতীত কোন মহিলাকে যেন বিবাহ দেওয়া না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেছেন, অভিভাবক, পরিবারের বুদ্ধিমান ব্যক্তি বা রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতি ছাড়া কোনো মহিলাকে বিবাহ দেওয়া হবে না। এখানে মূল আলোচ্য বিষয় হলো “বিবাহে অভিভাবকের অনুমতি”, “ওলী”, “পরিবারের দায়িত্ব” এবং “বিয়ের শুদ্ধ ব্যবস্থা”। হাদিসটি পরিবারকে একটি দায়িত্বশীল জায়গায় রাখে। বিবাহ শুধু দুই ব্যক্তির পছন্দ নয়; এতে নিরাপত্তা, সম্মান, ভবিষ্যৎ জীবন এবং সামাজিক স্থিরতা জড়িত। তাই অভিভাবক বা উপযুক্ত দায়িত্বশীল ব্যক্তির ভূমিকা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যদি সরাসরি অভিভাবক না থাকে, তাহলে পরিবারের বুদ্ধিমান ব্যক্তি বা রাষ্ট্রপ্রধানের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ উদ্দেশ্য হলো বিয়েকে এলোমেলো সিদ্ধান্তে না রেখে দায়িত্বশীল পথে করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিবাহে অভিভাবকের অনুমতির গুরুত্ব উল্লেখ হয়েছে।
  • পরিবারের বুদ্ধিমান ব্যক্তির ভূমিকা বর্ণনায় এসেছে।
  • অভিভাবক না থাকলে রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতির কথাও বলা হয়েছে।
  • বিবাহকে দায়িত্বশীল ও সুশৃঙ্খল পথে রাখার শিক্ষা পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন