২/১৯. অধ্যায়ঃ
জুনুব ব্যক্তির ওযূ করা গোসলের পূর্বে নিদ্রা অথবা খাদ্য গ্রহণ করতে ইচ্ছা করলে
জানাবত অবস্থায় আহার বা ঘুমের আগে পরিচ্ছন্নতার আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ أَوْ يَطْعَمَ وَهُوَ جُنُبٌ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ طَعِمَ أَوْ نَامَ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) জানাবত অবস্থায় ঘুমাতে অথবা আহার করতে ইচ্ছা করলে তিনি মুখমণ্ডল ও উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুতেন এবং মাথা মাসেহ করতেন। তারপর আহার করতেন অথবা ঘুমাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাফি (রঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) জানাবত অবস্থায় ঘুমাতে অথবা আহার করতে চাইলে মুখমণ্ডল ও দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধুতেন এবং মাথা মাসেহ করতেন। এরপর তিনি আহার করতেন অথবা ঘুমাতেন। এখানে একটি বাস্তব জীবনঘনিষ্ঠ আমল দেখা যায়। জানাবত অবস্থায় গোসল করার আগেই কখনো ঘুম বা খাবারের দরকার হতে পারে। তখন ইবনু উমার (রাঃ) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখতেন। এই বর্ণনা থেকে জানাবত অবস্থায় আহার, ঘুম এবং ওযূ সদৃশ পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি বোঝা যায়। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, তার বাইরে অতিরিক্ত শর্ত যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাবত অবস্থায় আহার বা ঘুমের আগে পরিচ্ছন্ন হওয়া ভালো আমল।
- মুখ ও হাত ধোয়া এবং মাথা মাসেহ করার কথা বর্ণনায় এসেছে।
- দৈনন্দিন জীবনের ছোট কাজেও পবিত্রতার খেয়াল রাখা যায়।
- সাহাবীদের আমল থেকে বাস্তব মাসআলা শেখা যায়।
