২৭/১৩. অধ্যায়ঃ
ভিন্ন ধর্মীয় লোকদের মীরাস
মুক্ত খ্রিস্টান গোলামের সম্পদ বায়তুলমালে দেওয়ার ঘটনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৭৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৭৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ أَنَّ نَصْرَانِيًّا أَعْتَقَهُ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ هَلَكَ قَالَ إِسْمَعِيْلُ فَأَمَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنْ أَجْعَلَ مَالَهُ فِي بَيْتِ الْمَالِ.
ইসমাঈল ইবনু আবূ হাকীম (র) হতে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু আবদীল আযীয (র)-এর এক খৃস্টান গোলাম ছিল। তিনি তাকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।তার মৃত্যুর পর উমার আমাকে বললেন, তার মাল বায়তুলমালে জমা দিয়ে দাও (কেননা মুসলমান কাফেরের ওয়ারিস হবে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর এক খ্রিস্টান গোলামের কথা এসেছে। তিনি তাকে মুক্ত করেছিলেন। পরে সেই ব্যক্তি মারা গেলে উমার ইবনু আবদুল আযীয ইসমাঈল ইবনু আবূ হাকীমকে বলেন, তার মাল বায়তুলমালে জমা দিয়ে দাও। অনুবাদে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, মুসলমান কাফিরের ওয়ারিস হবে না। হাদিসটি ধর্মভেদে মীরাস না হওয়ার বাস্তব প্রয়োগের একটি ঘটনা। এখানে মূল বিষয় হলো, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা মুক্ত করার সম্পর্ক থাকলেও মীরাসের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। তাই ফারায়েযে আবেগের চেয়ে নির্ধারিত বিধান গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুক্ত খ্রিস্টান গোলামের সম্পদ বায়তুলমালে দেওয়ার কথা এসেছে।
- মুসলমান কাফিরের ওয়ারিস না হওয়ার কারণ অনুবাদে উল্লেখ আছে।
- ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও মীরাসের নিয়ম মানা হয়েছে।
- ফারায়েযে সম্পদ বণ্টন নির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে হয়।
