২৬/২. অধ্যায়ঃ
আকীকার পদ্ধতি
ছেলে ও মেয়ের জন্য আকীকা: ইবনু উমার (রা)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৬২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৬২
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ لَمْ يَكُنْ يَسْأَلُهُ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِهِ عَقِيقَةً إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهَا وَكَانَ يَعُقُّ عَنْ وَلَدِهِ بِشَاةٍ شَاةٍ عَنْ الذُّكُورِ وَالْإِنَاثِ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর পরিবারের কারো জন্য আকীকার ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করলে তিনি তাঁকে সাহায্য করতেন এবং তাঁর নিজের সন্তানের ব্যাপারে ছেলে বা মেয়ে হোক, প্রত্যেক সন্তানের জন্য একটি করে বকরী আকীকা দিতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] আয়িশা (রা) হতে বর্ণিত হয়েছে ছেলের পক্ষ হতে দুটি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি করে বকরী আকীকা দিতে পারবে। ইমাম আবূ হানীফা (র) অনুরূপ মত পোষণ করেন।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আকীকার ক্ষেত্রে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর আমল তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর পরিবারের কেউ আকীকার বিষয়ে সাহায্য চাইলে তিনি সাহায্য করতেন। নিজের সন্তানের ক্ষেত্রেও ছেলে হোক বা মেয়ে, প্রত্যেকের জন্য একটি করে বকরী আকীকা দিতেন। তাই এই হাদিসে আকীকার আমলকে পারিবারিক সহায়তা ও সন্তানের জন্য আলাদা যত্নের সঙ্গে দেখা যায়। এখানে ছেলে-মেয়ের জন্য এক বকরীর কথা সরাসরি এসেছে। তবে বর্ণনায় যতটুকু আছে, ততটুকুই বলা নিরাপদ। আকীকা হাদিস, ছেলে মেয়ের আকীকা, এক বকরী আকীকা—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা সহজভাবে দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পরিবারের কেউ আকীকার সাহায্য চাইলে সহায়তা করা ভালো কাজ হিসেবে বোঝা যায়।
- ইবনু উমার (রা) ছেলে ও মেয়ের জন্য একটি করে বকরী আকীকা দিতেন।
- সন্তানের জন্ম উপলক্ষে আকীকার আমল পরিবারে গুরুত্ব পেত।
- হাদিসে ছেলে-মেয়ে উভয়ের কথা একসঙ্গে এসেছে, তাই বিষয়টি ভারসাম্যপূর্ণভাবে বুঝতে হবে।
