২৫/৪. অধ্যায়ঃ
দন্তবিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী আহার করা হারাম হওয়া সম্পর্কে
হিংস্র প্রাণীর গোশত হারাম: নববী নির্দেশ ও আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৫৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৫৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ عَبِيدَةَ بْنِ سُفْيَانَ الْحَضْرَمِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَكْلُ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ حَرَامٌ قَالَ مَالِك وَهُوَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : দন্তবিশিষ্ট সকল হিংস্র প্রাণী হারাম। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকটও মাসআলা অনুরূপ।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ হুরায়রা (রা) থেকে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—দন্তবিশিষ্ট সকল হিংস্র প্রাণী খাওয়া হারাম। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকটও মাসআলা অনুরূপ। অর্থাৎ বর্ণনায় শুধু নববী কথা নয়, ইমাম মালিক (র)-এর আমলগত অবস্থানও উল্লেখ আছে। এই হাদিস হালাল খাবার, হারাম প্রাণী এবং দন্তবিশিষ্ট হিংস্র প্রাণীর বিধান বোঝার জন্য সরাসরি সহায়ক। এখানে বাড়তি তালিকা বা উদাহরণ দেওয়া হয়নি, কারণ মূল পাঠে নির্দিষ্ট প্রাণীর নাম নেই। মূল শিক্ষা হলো খাদ্য গ্রহণে শরীয়তের সীমা মানা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দন্তবিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী খাওয়া হারাম—নববী নির্দেশ এসেছে।
- ইমাম মালিক (র) এই মাসআলাকে নিজ সমাজের আমল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- খাবারের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের সীমা মেনে চলা দরকার।
